Deep Politics, Part 2: One-eyed world of the “civil war” roadmap

Deep Politics, Part 2:  One-eyed world of the “civil war” roadmap
by Faruk Wasif; translated by Tibra Ali

©bdnews24
©bdnews24

In boxing, fighters need to be alert of each other’s every move. The hunter too targets his prey using only one eye. He is not interested in widening his field of vision. But freedom fighters cannot afford to just focus on eliminating the enemy, they must also keep an eye on the political and ideological aspects of the situation. They need to widen their field of view of the world. The political chase is not the same as giving chase to a band of robbers. The field is much wider here, ranging from the local to the global. That is why it’s vital that one does not end up too far afield while giving chase to the enemy. Because there is always the chance that one might not be able to turn back from such a mistake. Therefore, let us take a break from the infighting Cain and Abel story of the trial and judgement of war-criminals and look at the military-civil roadmap which is unfolding gradually. You can always listen to the Ambassador’s speeches later.

In the Bush era the game was aggression under the guise of fighting terrorism, i.e., militarily installed democracies. That involved war in the formal sense. In Obama’s era war has taken an informal shape. These wars a are no longer fought by trained millitaries, instead they are fought by Islamist freedom-fighters and the chameleon-like recruits nested around social-networks. This is how the mass awakening of the Arab Spring was and is being transformed into a counter-revolution.

By addling the public’s intelligence and by turning social harmony into a dog’s dinner, the agents of war intrude themselves through the schism created by escalating the situation to a full-fledged conflict. In the meantime, the people’s revolution is quietly hijacked by the machinations of the smooth operators of Deep Politics.

I believe that the communal riot of Ramu, in Cox’s Bazar, was the opening act of the country-wide drama that we are witnessing in Bangladesh today. I wrote back then: Do whatever you like but “not in our name, or in the name of the country “.

Scant few paid any attention to my warnings regarding this game that makes the minorities relinquish their native land and the majority to take up the habit of self-loathing. By now, the opportunistic players have become a lot more savvy. But they still haven’t been able take over the gas reserves in the Bay of Bengal; or gotten the go ahead to install an army base here in order to strategically surround China; or made us to sign the TICFA agreement. If you look at any Muslim nation today, that is neither rich nor a virtual fiefdom, you’ll notice that a state of civil war exits there.

I wrote after the incident at Ramu:
“A new kind of warfare has emerged as the next stage of the war between nations and war of land annexation. It’s spreading world-wide. This war is manifesting itself as conflicts between different identities. Conflicts between societies, between ethnicities, between castes and classes; even the different religious, social, political and linguistic groups within the same country are being seen getting involved in conflicts. The scattered explosions of this type of conflict are now a constant and accepted reality: from Iraq to Afghanistan, from Iran to Syria, from Somalia to Sudan, and Libya to Bangladesh-Myanmar-Assam.”

Borders that have been restive due to historical and geopolitical reasons, unresolved conflicts between communities, and suppressed nationalistic ideological conflicts – they all seem to be coming alive and rearing their heads. In all the countries mentioned above, the signs of the different kinds of social and national identities can be seen to be becoming more and more active. Explosive rifts are being created along cultural and socio-political lines of the societies living in the same country or within the same borders. These manufactured conflicts are being used as excuses for the nuclear and economic superpowers to engage in “wars of humanitarian intervention” and deploy their “solutions” to these humanitarian crises. These social conflicts, geopolitical tensions and these meddling “humanitarian wars” are all linked by historical and causal relationships- they form parts of the same chain. In Arakan we have the conflict between Burmese-Rakhines and Rohingyas; In Assam there is the conflict between immigrant Bangladeshi Muslims and Assamese; In Rangamati and Ramu in Bangladesh there is the conflict between ethnic Bengalis and Chakma-Rakhines – these are all emerging as the battle grounds of this new inter-societal war. The rules of this war are now dictating the road map of civil wars.

To be added to this list now is the manufactured conflict between believers and non-believers, which is now being used to overshadow the legal pursuit for justice for the victims of genocide. The burning of the Hindu households and the loss of innocent lives are being forgotten in the miasma of vengeful hatred. There are no shortages of apologists for the attacks on the homes of Awami Leagues in the villages and town, or for the excessive state-sanctioned violence against Jamaat and Shibir. The psychological warfare that slowly corrodes away the public’s morale through seemingly ‘disconnected’ and mysterious incidents of murders and abductions has quietly but consistently been going on in the background. Both the War of Independence and Islam have now become pawns in a grand design drawn up by the enemy of both Liberation and Religion.

But humans are the makers of history, not the puppets of the forces of darkness. Whatever you do, don’t commit acts of hypocrisy or deceit against either the War of Liberation or Islam. Do not spread hatred against anyone including believers, non-believers, Hindus, Muslims, Buddhists, Christians, Chakmas, Bengalis, men or women. The hands of justice that are to try the war-criminals – keep them pure and unblemished. If that becomes impossible, scrap the process. Identify and remember the conspirators. Those of you in Awami League, BNP or Jamaat who still retain their humanity and sense of rationality, please step forward and stand beside the awakened and conscientious masses. Save the country and its people by renouncing your allegiances to the agents of civil war. We cannot afford to forego either justice or legitimate democracy. One cannot see the whole world with just one eye.

Postscript: News from the one-eyed observers of the word: raids on the BNP head office. The leaders of Jamaat now have a free hand to concoct more “divine outrages”. The government has its hands full with BNP.

Siraj says, o Golam Hossain, which way shall I go now.

[Translation & Abbreviated from the Original Bengali. Translation © AlalODulal]

ডিপ পলিটিকস ২: গৃহযুদ্ধের রোডম্যাপের একচক্ষু দুনিয়া
by Faruk Wasif on Monday, March 11, 2013

মুষ্টিযোদ্ধারা লড়াইয়ের সময় প্রতিপক্ষের প্রতিটি নড়চড়া হিসাব করে। শিকারিও এক চোখেই কেবল পাখির ধড় বা বুক নিশানা করে। ফোকাসটা বড় করার হুশ তাদের থাকে না। দরকারো হয় না। কিন্তু সংগ্রামী কর্মীদের কেবল হাজির শত্রু মোকাবেলায় মত্ত থাকলে হবে না, রাজনৈতিক নিরিখটাও ঠিক রাখতে হবে। সব খেলারামের চালের হিসাব করতে হবে। বড় করতে হবে দেখবার ফোকাস। রাজনীতির লড়াই ডাকাত খেদানো হুড়োহুড়ি না মোটেই। মাঠটা এখানে অনেক বড়_দেশ থেকে বিদেশ পর্যন্ত। তাই খেয়াল রাখতে হবে, প্রতিপক্ষকে ধাওয়া করতে করতে আসলে ভুল মাঠে চলে যাচ্ছেন কিনা। যেখান থেকে আর ফিরবার সুযোগ নাও পেতে পারেন। সুতরাং গণহত্যাকারীদের বিচার ও দমনের হাবিল-কাবিল লড়াইয়ে বসেই একটু ফৌজি-সিবিল কাহিনীটা খেয়াল করুন, ড্যান মজিনার বক্তৃতা পরেও শুনতে পাবেন।

জর্জ বুশের যুগের লাইন ছিল সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে আগ্রাসন, ফৌজি গণতন্ত্র ইনস্টলেশন। এগুলো ফর্মাল যুদ্ধ। ওবামা যুগের যুদ্ধ ইনফর্মাল। এই যুদ্ধ সেনাবাহিনী লড়ে না, লড়ে ইসলামিস্ট মুক্তিযোদ্ধা ও সোস্যাল-নেটওয়ার্কে বাসা বাঁধা বর্ণচোরা রিক্রুটেডরা। আরব জাগরণের গণতান্ত্রিক বিকাশকে এভাবেই প্রতিবিপ্লবে পরিণত করা হয়েছে ও হচ্ছে। সিরিয়া ও লিবিয়ার বিদ্রোহীরা কারা? মার্কিন-ইসরায়েল-ফরাসি-ব্রিটিশ আর তুর্কি মদদপুষ্ট ভাড়াটে খুনী আর আল কায়েদার যোদ্ধারা। এদের অস্ত্র-প্রশিক্ষণ-খরচ ও পরিবহন করেছে জাতিসংঘ, ন্যাটো, আরব লীগ, ওআইসি। আর মিডিয়া মুঘল বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা দিয়েছে বৈধতা। বাস্তবতা এখানে ক্রিয়েটেড ও মিডিয়া-ম্যানিপুলেটেড।

জনমতের বিচারবুদ্ধিকে ঘুলিয়ে সামাজিক স্থিতিকে ছিঁড়ে ফানা ফানা করা হয় আগে। তারপর সেই ফাটলকে মুখোমুখি সংঘাতে ঠেলে ফাঁক দিয়ে ঢোকায় সংঘাদের এজেন্টদের। অন্যদিকে ডিপ পলিটিকসের খেলারামদের কারিগরিতে বেহাত হয় জনমানুষের আন্দোলন। পাবলিক দেখতে পায়, সমীকরণের সমান সমান চিহ্নের এপারে তারা, ফলাফল অন্য পারে।

আজকে যা দেখছি সেই প্লটের প্রথম অংক ছিল রামুর সাম্প্রদায়িক হামলা। তখন লিখেছিলাম, যা করছো করো, তবে ‘আমাদের নামে নয়, দেশের নামে নয়’। সংখ্যালঘুকে বিবাগী আর সংখ্যাগুরুকে আত্মঘাতী বানাবার এই খেলার বিরুদ্ধে হুশিয়ারি কম লোকই শুনেছে। ফায়দাবাজদের হাত এখন আরো পাকা। বাংলাদেশের সমুদ্রের গ্যাস, চীনকে ঘিরে সামরিক ঘাঁটির উপযোগিতা, টিকফা চুক্তি ইত্যাদি কোনো কিছুই তো এখনো মার্কিনিরা পায়নি। ধনী ও করদ রাজ্য ছাড়া সকল মুসলমান প্রধান দেশে এমন গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি টিকিয়ে রাখা হচ্ছে দেখুন। প্রশ্ন হচ্ছে, মুসলমান দেশ বলতে কী বুঝায়? উত্তর সোজা: যেসব দেশে ইসলাম ইস্যু দিয়ে একদলকে ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের দিকে আরেকদলকে সাম্রাজ্যবাদকে ত্রাতা ভাবার দিকে ঠেলা যায়, সেসবই মুসলিম দেশ। যদিও ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ কোনো ধর্মকেই আছর করতে বাদ রাখেনি। আর যেসব দেশের অধিকাংশ মানুষকে মিডিয়ার কল্যাণে সব ছেড়ে ইসলামকে শত্রু বানানো যায়, সেগুলো অমুসলিম দেশ। ঘটনাক্রমে সেসব দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলামের পরিচয় বহন করে এবং তারা এই দুই দলের হঠকারীতার শিকার। রামুর ঘটনার পরপরই লিখেছিলাম:

রাষ্ট্রীয় যুদ্ধ ও দেশদখলি আগ্রাসনের পরের ধাপে হাজির হয়েছে নতুন আরেক ধরনের যুদ্ধ। বিশ্বব্যাপী তার বিস্তার। আড়ে ও গভীরে তা শেষতক পরিচয়ের সংঘাতের চেহারায় প্রকাশিত হচ্ছে। সমাজে সমাজে, পরিচয়ে পরিচয়ে, গোত্রে গোত্রে; এমনকি একইদেশের বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ভাষিক জনগোষ্ঠীগুলোকে সংঘাতে লিপ্ত হতে/করতে দেখা যাচ্ছে। ইরাক থেকে আফগানিস্তান, ইরান থেকে সিরিয়া, সোমালিয়া থেকে সুদান এবং লিবিয়া থেকে বাংলাদেশ-মায়ানমার-আসাম অবধি এধরনের সংঘাতের ছড়ানো-ছিটানো বিষ্ফোরণ এখন হাজির-বাস্তবতা।

ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক কারণে অস্থির সীমান্ত এলাকা, অমীমাংসিত সম্প্রদায় বিরোধ এবং দমিয়ে রাখা জাতিগত দ্বন্দ্বগুলোও যেন শক্তিপ্রাপ্ত হয়ে মাথাচাড়া দিচ্ছে হঠাৎ। ওপরে উল্লিখিত দেশগুলোতে সকলরকম সামাজিক ও জাতিগত বৈচিত্র্যচিহ্নগুলো ক্রমশ তেজষ্ক্রিয় হয়ে উঠতে দেখা যাচ্ছে। এক ভূসীমানা বা এক রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার সামাজিক-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সীমান্তগুলোয় বিদ্বেষের বিষ্ফোরকভরা পরিখা খোঁড়া হচ্ছে। এসব বানানো সংঘাতের প্রতিক্রিয়ায় বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর ‘মানবিক হস্তক্ষেপের যুদ্ধ’ও সঙ্গে-সঙ্গে নাজেল হচ্ছে মানবিক বিপর্যয়ের ‘মীমাংসা’র নামে। এই সামাজিক সংঘাত, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং হস্তপেকারী ‘মানবিক যুদ্ধ’ ঐতিহাসিক ও কার্যকারণ সম্পর্কে সম্পর্কিত_ একসূত্রেই গাঁথা। আরাকানে রাখাইন-বর্মী বনাম রোহিঙ্গা দ্বন্দ্ব, আসামে বাংলাদেশি মুসলিম বনাম অসমিয়া দ্বন্দ্ব এবং রাঙামাটি ও রামুর বাঙালি বনাম চাকমা-রাখাইন দ্বন্দ্ব এই সামাজিক যুদ্ধেরই জমিন হিসেবে ভেসে উঠেছে।’

এই সামাজিক যুদ্ধের ব্যকরণই গৃহযদ্ধের রোডম্যাপ সাজাচ্ছে। ওপরের ঐ সংঘাতের রেসিপিতে আরো যোগ করুন, আস্তিক-নাস্তিকতার হানাহানি, হিন্দু সমাজের ঘরবাড়ি-জ্বালানো, নিরীহ মানুষের প্রাণহরণ। গরিব দিয়ে গরিব হত্যা হচ্ছে, জুলুমের জবাবে জুলুম করা হচ্ছে। এসবের তলায় লুকিয়ে ফেলা হচ্ছে গণহত্যায় নিহতদের বিচারে ফরিয়াদ। সব চাওয়া চাপা পড়ছ প্রতিহিংসার প্রতিযোগিতায়। গ্রামগঞ্জে লীগ সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা এবং জামাতশিবিরের প্রতিবিপ্লব দমনে মাত্রাছাড়া রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ জনগণতে আরো বিভক্ত ও সন্দিহান করছে। রহস্যময় ‘বিচ্ছিন্ন’ মনে হওয়া খুন আর ভয়ের সংস্কৃতি ছড়ানোর মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধও এক মুহূর্তের জন্যও বিরাম নেয়নি। মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলাম উভয়ই স্বাধীনতা ও বিশ্বাসের শত্রুদের নীলনকশার ঘুঁটি হচ্ছে। তারপরো সাংস্কৃতিক পরিচয়ে আমরা বাঙালিই থাকবো, আর রাষ্ট্রীয় পরিচয় হবে বাংলাদেশি।

কিন্তু মানুষ ইতিহাসের নির্মাতা, ইতিহাসের অপশক্তির পুতুল নয়। যে যাই করো, মুক্তিযুদ্ধ বা ইসলামের নামে চাতুরি বা শঠতা নয়। আস্তিক-নাস্তিক-হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-চাকমা-বাঙালি নারী-পুরুষ কারো বিরুদ্ধে কেউ ঘৃণা ছড়াবেন না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের হাত, শাসনের হাত নিষ্কলুষ রাখুন। রাজেশ্বর রাজা যিনি, তিনি যদি চোরেরো শিরোমণি হন, তাহলে তাদের প্রত্যাখ্যান করুন। কুচক্রীদের চিনে নিন। পক্ষ তৈরি করতে না পারলে পক্ষ নেবেন না। লীগ-বিএনপি-জামাতে যারা এখনো মানুষ আছেন, তারা দলীয় খেলায় মাতবেন না। আপনারা জনগণের কাতারে মিশে যান। মানুষের পাশে দাঁড়ান, গৃহযুদ্ধের কুতুবদের হাতিয়ার হবেন না। উচিত বিচার আর ন্যায়বান গণতন্ত্রের মধ্যে কোনো একটিও বাদ দেওয়ার উপায় নাই। এক চোখে দুনিয়া দেখা যায় না। 

পুনশ্চ: একচক্ষু দুনিয়াদারির শেষ খবর, বিএনপি অফিসে গ্রেফতার অভিযান। জামাতনেতারা আরো গজব নামানোয় নিরাপদ ও সুরক্ষিত। সরকার বিএনপি নিয়ে ব্যস্ত। সিরাজ বলে, হায়রে গোলাম হোসেন, পথ কোনদিকে!

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s