Faruk Wasif: Rumours of bloodletting and the bloodletting of rumours

World War II poster
World War II poster

Rumours of bloodletting and the bloodletting of rumours
by Faruk Wasif, Translated from Bengali by Tibra Ali for AlalODulal.org

This is the spring of rumours. Afraid of burning their hands, the media won’t touch the burning questions of the day. And the television cameras, in fear of being blinded, look the other way. If a gap is found in the official press-notes, know that that is the way by which the truth has decamped. It is on such a day that I could sayis it true that in Motijheel… is it true that Reshma… is it true that the BNP… etc.

Rumour is the weapon of the weak against the powerful.

When we lose faith in those whose business is the truth, it is then that the phrase “is it true” ensconces itself as the crown of our sentences and starts questioning the established media. The daring band of rumours of our time offers answers to those very questions which the hubristic media and the one-eyed government are trying to suppress or failing to address. The questions containing the word “really” are also of the same kind:

What really happened in the BDR uprising? Who really abducted Ilias Ali? Who was really behind the Ramu riots? Who really destroyed the Hindu temples around the country? Who is Mahmudur Rahman really working for? What was the government’s real role in Shahbag?

And at last:

What really happened at Shapla Chottor?

Reality becomes more opaque when the truth-seeking “really” is joined by the doubtful “is it true”. What rumour doesn’t say makes truth simultaneously stronger and weaker. Within rumour’s question lies the possibility of truth, and in its answer lies riddles; If it goes unanswered reality becomes more and more opaque. That’s why in the language of rumours you will hear, “Is it true that thousands of people really died in Shapla Chottor?” Or, “Is it true that it was really BNP-Jamaat, disguised as Hefazat, that did battle with the police?”

This is the problem with rumours. When rumours deliver the “real” news, the doubtful “is it true” calls into question the “real news” by sticking to it like glue from a jiga tree. This is because rumours have no licensed agencies, its only license is to raise questions. It is not responsible for answers or proofs. In this way rumours raise the right question but it is methodologically impossible for it to give the right answer.

The burden of refuting rumours is with the government and the media. If one of the media manages to establish something as truth, it is rumour whose wings get clipped; on the other hand, if they fail, it is the people’s ears that get clipped. If we had known who were behind the incidents at Ramu, it is possible that the Hindu temples wouldn’t have had to burn. If the mystery of Ilias Ali’s disappearance had been resolved, the rumours surrounding Shapla Chottor wouldn’t have had to spread. Whenever someone fails to quell the people’s thirst for truth, rumour becomes the cunning night burglar. Because by then everybody’s realized that the media is no longer independent, or at least it is not neutral. That is why rumours are the by-product of a suppressive environment. It says, there is no neutrality, no freedom of expression in the country.

Just as epidemics break out whenever the governmental waterworks gets infected, an epidemic of rumours break out whenever the established information system loses credibility. Rumours are unassailably infectious. Once you’ve been infected the only cure is correct information. The owners of power and truth, the government, usually don’t pay heed to rumours, because they know what “really” happened. Those who don’t know what “really” happened, it is they who pay heed to rumours.

Rumours are indefatigable guerrilla warriors against lies. Orderliness and rumours are enemies of each other. That is why the official versions always support both disorder and rumours. That’s why after the Sayedee sighting on the moon or after the incident at Shapla Chottor, the government has to say: “Don’t pay heed to rumours, and don’t create disorder.” The truth of rumours and the official truth cannot coexist. In an atmosphere of absence of answers, it is the rumours’ side of the scale that becomes heavier. Then they give birth to “truths” that don’t care for any proofs. Truth ceases to become something to be known, but something to be chosen.

In the market of rumours there are many truths available at the moment. You can choose a convenient “truth” according to your own political leaning. And carry on debates that lead to no resolutions, between different individuals, between different groups, between different parties, and thus increase the division between different parts of the country. When there is nothing other than this kind of political truths, the country becomes divided. But in this darkness of untruth and pandemonium of a divided nation what hides deep inside the rumours is the possibility of bloodletting. The final showdown between truth and lies is resolved through more and more bloodletting. Then there are no more rumours, and no more need for the call for the truth. For then the truth presents itself in such bloody reality that it becomes impossible to deny it.

Even though the truth is divided up into two parts in our bifurcated bipartisan consciousness, their aim is the same: the annihilation of each other. This unitary murderous will is then the only ammunition of the two party double-barrelled gun, and it is fired from each nozzle in divided form. When the half-realities based on half-truths are the reality of our surreal politics, one of the bullets from this gun goes forward while, simultaneously, the other one goes backward. As a result, both the shooter and the target are wounded by the same volley.

So, please do pay heed to rumours, and read behind the most dangerous questions of our time the danger signal of the approaching storm “Mahasen”.

Faruk Wasif is a graduate in Bengali from Jahangirnagar University, and a long-time left political organizer in Bangladesh. Tibra Ali is a graduate of Dhaka and Cambridge Universities, and a theoretical physicist.


Soviet propaganda poster: "Don't chatter" (1941)/ Ватолина Н. Н. (1915—2002), Денисов Н. В. (1917—1982)
Soviet propaganda poster: “Don’t chatter” (1941)/ Ватолина Н. Н. (1915—2002), Денисов Н. В. (1917—1982)

গুজবের রক্তপাত, রক্তপাতের গুজব; আড়ালের সংকেত

– ফারুক ওয়াসিফ

এমন সময়ই গুজবের বসন্ত। সময়ের জ্বলন্ত প্রশ্নগুলোয় মিডিয়া হাত দেবে না, হাত পুড়ে যাবে।চোখ ঝলসানোর ভয়ে টিভি ক্যামেরা তা দেখবে না। সরকারি প্রেসনোটের মধ্যেখানে ফোকর ধরাপড়লে জানবেন, সত্যটা ওই পথেই পগারপার। এমন দিনেই তারে বলাযায়…মতিঝিলে নাকি…রেশমা নাকি…বিএনপি নাকি ইত্যাদি।

সবলের বিরুদ্ধে গুজব দুর্বলের অস্ত্র।

যখন সত্যের কারবারিরা আস্থা হারায় তখন ‘নাকি’ শব্দটা আমাদের বাক্যের মধ্যে সিংহাসন গেড়ে প্রতিষ্ঠিত মিডিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, ‘তোমরা নাকি…’। আমাদের কালের দুর্ধর্ষ গুজবরাশি সেসব প্রশ্নেরই উত্তর অফার করে, দাপুটে মিডিয়া ও একচক্ষু সরকার যার ওপর ধামা হয়ে চেপে বসেছে; উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে। ‘আসলে’ শব্দসহযোগে প্রশ্নগুলো তো এরকমই ছিল:

বিডিআর বিদ্রোহে আসলে কী হয়েছিল? ইলিয়াস আলীকে আসলে কারা তুলে নিয়ে গিয়েছিল? রামুতে আসলে ছিল কার হাত? দেশের মন্দিরগুলো আসলেকারা ভেঙ্গেছিল? জামায়াত-হেফাজতের পেছনে আসলে কারা? মাহমুদুর রহমান আসলে কার লোক? শাহবাগে সরকারের ভূমিকা আসলে কী? সর্বশেষ,

শাপলা চত্বরে আসলে কী ঘটেছিল?

সত্যসন্ধানী ‘আসলে’র পাশে সংশয়বাদী ‘নাকি’ মিলে বাস্তবতা আরোঘোলাটেই হয়ে ওঠে। গুজব তাই জানায় না তা সত্যের সম্ভাবনাকে একইসাথে সবল ও দুর্বল করে। গুজবের প্রশ্নের মধ্যে সত্যের সম্ভাবনা, গুজবের উত্তরের মধ্যে রয়েছে ধাঁধা; যার উত্তর না দিলে বাস্তবতা হয় আরো ঘোলাটে। গুজবের ভাষায় তাই দেখতে পাবেন, ‘শাপলা চত্বরে আসলে নাকি হাজারহাজার মানুষ মারা গেছে’? কিংবা ‘বিএনপি-জামাতই নাকি আসলে হেফাজতের নামে পুলিশেরসাথে যুদ্ধ করেছে?’

গুজবের এটাই মূল মুশকিল, তা যখন ‘আসল’ খবর দেয়, তখনো সন্দেহসূচক ‘নাকি’শব্দটা আসলের গায়ে জিগার আঠার মতো লেগে থেকে ‘আসল খবরকে’ সন্দেহদীর্ণ করে রাখে। কারণ, গুজবের কোনো লাইসেন্সপ্রান্ত এজেন্সি নাই, গুজবেরলাইসেন্স কেবল প্রশ্ন করার। উত্তরের দায়িত্ব, প্রমাণের দায় তার না। গুজব এভাবে সঠিকপ্রশ্নটাই করে কিন্তু সঠিক উত্তর দেওয়া পদ্ধতিগতভাবে তার পক্ষে অসম্ভব।

গুজব অপ্রমাণের দায়িত্ব কিন্ত সরকারের, মিডিয়ার। একটি মিডিয়াও সত্য বলে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেই গুজবের ডানা কাটাপড়ে; আর না পড়লে কাটা পড়ে জনগণের কান। যদি রামুর ঘটনা কে ঘটিয়েছিল তা জানা যেত, তাহলে হয়তো হিন্দুদের মন্দিরগুলো পুড়তো না। যদি ইলিয়াস আলী গুমের রহস্য মীমাংসা হতো, তাহলে শাপলা চত্বর নিয়ে রহস্য ছড়াতো না। যখন কেউই জনগণের জানবার তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারে না, তখন গুজবই ধুরন্ধর নিশিচোর। কেননা তখন সবাই জেনে গেছে মিডিয়া স্বাধীন নয়, অন্ততপক্ষে নিরপেক্ষ নয়। গুজব তাই দমনমূলক পরিস্থিতির বাইপ্রোডাক্ট। তা জানায়, দেশে নিরপেক্ষতা নাই মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নাই।

সরকারি পানি ব্যবস্থা দূষিত হলে মহামারি লাগে, তেমনিপ্রতিষ্ঠিত তথ্যব্যবস্থা আস্থা হারালে গুজবের মহামারি আসে। গুজব অপ্রতিরোধ্যভাবে সংক্রামক। সঠিক তথ্যের প্রতিষেধক ছাড়া আর কিছুতেই নিস্তার হবে না আপনার। ক্ষমতা ও সত্যের মালিকরা সরকার সাধারণত গুজবে কান পাতে না, কারণ তারা জানে ‘আসল’ ঘটনা। গুজবে কান পাতে তারাই যারা জানে না ঘটনা ‘আসলে’ কী?

গুজব মিথ্যার বিরুদ্ধে ক্লান্তিহীন গেরিলা। গুজব আর শৃঙ্খলা পরস্পরের শত্রু। সরকারি ভাষ্যে বরাবরই তাইবিশৃঙ্খলা আর গুজব সমার্থক। সাঈদীকে চাঁদে দেখা যাওয়ার পর বা শাপলা চত্বরের ঘটনারপর সরকারকে বলতে হয়: ‘গুজবে কান দেবেন না, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবেন না।’ গুজবের সত্য আর সরকারি সত্য সহাবস্থান করতে পারে না।উত্তরহীনতার পরিবেশে গুজবের পাল্লাই ভারি হয়। তখন তা এমনসব ‘সত্য’ পয়দা করে যা আরপ্রমাণের ধার ধারে না। সত্য তখন জানার বিষয় থাকে না আর, বেছে নেওয়ার বিষয় হয়।

গুজবের বাজারে এখন অনেক ‘সত্য’। নিজ নিজ রাজনৈতিক পক্ষ অনুসারেবেছে নিন আপনার পছন্দের ‘সত্য’। চালান মীমাংসাহীন তর্ক, ব্যক্তিতেব্যক্তিতে গোষ্ঠীতে গোষ্ঠীতে দলে দলে আর দেশের ভেতরে দেশের মধ্যে বাড়ান বিভক্তি। রাজনৈতিক সত্য ছাড়া যখন আর কিছু থাকে না, তখন দেশ বিভক্ত হয়েপড়ে। সত্যহীনতার অন্ধকারে, বিভক্ত জাতির হট্টগোলে যা গুজবের আবডালেহানা দিয়ে আসে, তা রক্তপাতের আশংকা। আরো আরো রক্তপাতের মধ্যে দিয়ে সত্য-মিথ্যারআখেরি মীমাংসা হয়। তখন গুজবও থাকে না, সত্যের দাবি করারো প্রয়োজন থাকে না। সত্যতখন এমন রক্তাক্তভাবে নিজেকে জাহির করে, তাকে আর অস্বীকার করা যায় না।

আমাদের দ্বিদলীয় চৈতন্যে সত্য দ্বিধাবিভক্ত হলেও উদ্দেশ্য অভিন্ন:পরস্পরের বিনাশ। ওই একক হননেচ্ছাই তাই দ্বিদলীয় দোনলা বন্দুকের একমাত্র গুলি, যা নিক্ষিপ্ত হয় দোনলার দুই নলে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে। অর্ধেক সত্যের অর্ধেক বাস্তবই যখন আমাদেরপরাবাস্তব রাজনৈতিক বাস্তবতা তখন দ্বিধাবিভক্ত গুলির একটা যায় সামনেআরেকটা ছোটে পেছনে। ফলে বন্দুকধারী আর বন্দুকের টার্গেট ঘায়েল হয় এক গুলিতেই।

তাই গুজবে কান পাতুন, পাঠ করুন আমাদের সময়ের মারাত্মক সবপ্রশ্নের আড়ালে এগিয়ে আসা ‌’মহাসেনের’ সতর্ক সংকেত।


  1. (‘progressive, secular’) Organizations are working on documenting the dead, the killed. They will answer the rumours, Until then, we will hear from those who trust by the horror in their voice and the tears in their eyes and the missing.

    • Not saying that this is the case with all allegations of death, but some may also be manipulated.


      গত ৫ মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধের সময় গুলিতে নিহত বলে প্রচারিত মাদ্রাসাছাত্র মো. সোহেল (১৮) বেঁচে আছেন।

      রোববার চাঁদপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা উজানী মাদ্রাসায় গিয়ে দেখতে পান অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সোহেল ক্লাস করছেন।

      গত শনিবার (১১ মে) দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় চাঁদপুর জেলা সংবাদদাতার বরাত দিয়ে সোহেলের মৃত্যুর খবরটি ছাপা হয়।

      এছাড়া আগেরদিন (১০ মে) চাঁদপুরের স্থানীয় দৈনিক ইলশেপাড় পত্রিকায়ও সংবাদটি প্রকাশিত হয়।

      ইনকিলাবের সংবাদে বলা হয়, “৫ মে দিবাগত রাতে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি’র সাঁড়াশি অভিযানে কচুয়া উজানী মাদ্রাসার ছাত্র শাহাদত বরণ করে।

      “হেফাজতে ইসলামের ঐ কর্মীর নাম সোহেল (২৩)। বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে।”

      দাউদকান্দি উপজেলার গোয়ালমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ নর্দী গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে সোহেল উজানী মাদ্রাসার ছাত্র।

      রোববার স্থানীয় চাঁদপুর প্রবাহের সাংবাদিক মো. মহিউদ্দিন এবং ভোরের কাগজের জেলা সংবাদদাতা মো. রাকিবুল হাসান কথা বলেন সোহেলের সঙ্গে।

      সোহেল তাদের বলেন, গত ৫ মে ঢাকায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে তিনি অংশগ্রহণ করেননি। ওইদিন তিনি উজানী মাদ্রাসাতেই ছিলেন।

      প্রকাশিত সংবাদটি গুজব বলেও জানান তিনি।

      উজানী মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মাদ্রাসার সোহেল নামের পাঁচজন ছাত্র রয়েছে। তারা সকলেই মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত রয়েছে।

      এছাড়া ওইদিনের হেফাজতের সমাবেশে তাদের মাদ্রাসার কেউ নিহত হয়নি বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

      সোহেলের মৃত্যু সংক্রান্ত এ সংবাদটি গুজব, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

  2. my 2 cents from another incident

    Distrust of mass media / Fighting rumours
    September 10, 2012 · 6:33 pm

    [ Echo of India (Port Blair) 29 Aug 2012]

    I am the only member of my family who has visited Bangladesh, erstwhile East Pakistan, in the last 20 years. I have often thought naively about my mother’s family — why did they migrate during the partition days? After all, East Bengal, as defined by the Radcliffe line, had more than 30 percent minorities and they would not have been a pushover very easily. But still they fled, first in droves and then in an unfaltering stream, sometimes strong, sometimes weak. And still nearly 20 percent of all Bengali minorities are still in East Bengal, not as equal citizens but not constantly persecuted either. Around 1947, many had been personally threatened — the day of the Kojagari Lakshmi Puja in 1946 is forever etched in the collective memory of refugees from Noakhali and their descendants as a day of holocaust. But still, many, many more were not directly threatened. But there was the perception of threat, of unknown fears. There were rumours. People’s social acumen and street-smartness were tested to their limits when they were reduced to second-guessing rumours — rumours of killings, beatings, conversions, rapes, desecrations.

    This subcontinent has seen this with unending regularity. Post-partition, rumours and resultant riots have tended to hurt the minorities the hardest. Rumours that have devastated lives, broken fragile peace. With the recent exodus of Nagas, Axomias and Manipuris from large swathes of the Indian Union, the sinister efficacy of new social media and technological innovations have come to the fore. This has led the government to ban bulk SMS. Nothing else has been done on the ground. And, this is where the mis-diagnosis lies. It is a self-absolving view of reality that leads us to think that rumours, or for that matter riots, can be fully dealt with by the non-human enablers like technology or arms. While that is a necessary short-term step, neither SMS nor social media, is responsible for the periodic flare-ups that lead to the scenario when an otherwise absurd hearsay starts gathering characteristics of truth. As the subcontinent has seen in the past, the ‘bush telegraph’ can be as deadly, if not more, than contemporary technology in instilling fear and hatred.

    Effective rumours do not start in a vacuum. They need a fertile backdrop. They originate, propagate and gather steam in a certain social context. Social contexts also have a run-up to them. Also, one needs to seriously examine existing political and media culture and their practices to decipher the stunning appeal that rumour often has.

    Take the media. In the Indian Union, large sections of the media often is so compromised by political and corporate patronage that it will not even follow the basic tenets of unbiased journalism like attributing claims, not putting claims and screaming headings, report an event from multiple perspectives and then verifying claims and counterclaims. In the most dangerous scenario, it can concoct stories of suppress stories. These things happen too often. This is why people, who may be in the know of a specific event but find things being reported quite differently, develop a deep suspicion of public media.

    It is in this atmosphere of justified cynicism, that other kinds of ‘fact’ and ‘news’ sources start competing for the faith of the suspicious. On the face of it, this is not necessarily a bad thing, for it opens up a space for bottom-up citizenry driven media and I don’t mean the ‘citizen journalist’ charade that many media outlets have started peddling of late. But it also opens up the space for manipulators. This manipulation has a more vicious edge in an atomized world where one’s sense or identity is increasingly made less by an organic community but by the confessional and exclusionary messages of supposed persecution. Such messages work up the consumer into a private frenzy. A long cooking period is necessary. It is in this backdrop, that a rumour takes its toll, when the prepared mind decides to act, or flee.

    Confessional enmities have a self-perpetuating character. Whether a rumour becomes believable or not largely has to do with the immediate temporal and socio-political context. Hence nothing fights unfounded rumours more than an open and free polity where the powerful are accountable. One can say that today easy communication across large spaces have resulted in confessional solidarities across larger swathes of people. A rumour can start anywhere, even outside a locality, or in a different continent. Part of the deliverance would come from asking questions about claims and not be callous about checking the veracity of especially incendiary ‘news’. The key is to doubt everyone, especially the powerful and doubt everything, especially rumours. What remains after the collective exercise of doubting top-down stories is not less but more real news.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s