The Burning Question for Bangladesh: How to piece together fragments

by Ahmed Shamim


What do we see when we look at the Bangladeshi state?

I see a state with a discriminatory constitution. Whose elections give one party the license to terrorize. Whose bureaucracy is extremely corrupted and whose military is an expert at misdeeds; sometimes, they usurp state authority and at other times, they return to their plan of corporatizing the army. Whose department of justice and legal enforcement administration are used by the ruling party. At the same time, it is a state where local and foreign corporations and conglomerates are on the path of sucking the life out of the nation and leaving an empty shell with their profit machine, and where NGOs provide training on how to survive in this disaster. This is one side of the state, citizens occupy the other.

Who are the citizens of this state?

One percent consists of the upper class. Their position is so exalted that if Bangladesh truly drowns, the flood waters will not reach them. They are smuggling the soil of their land to build homes abroad, gradually transforming the country into a massive pit. The remaining 99% consists of two groups. The middle class, which is ripping into the upper and lower middle classes, struggles, but survives. One segment of this class almost touches the upper class and is somewhat safe from the storm. Another segment remains in fear of sliding into the lower class. And then there is the strained lower class. At one time, they offered votes in addition to their soiled labor. It has now been proven that not everyone needs their vote, only labor will do.

How does the state run under such conditions?

The motor car of this state is fueled by the blood and sweat of ordinary people. It is driven by oppressive governments that come in different forms. As a result, the economy runs on the sweat of the common people and politics on their blood. The state only stands because it rests upon a triangle created by the people of the lower-middle and lower classes. Its bearers are: agricultural workers, laborers, and migrant workers. They are the manufacturing class. It is by using and oppressing this manufacturing class that the upper class was born. What made such oppression possible? It was as early as the post-independence period that the state began to oppress the manufacturing class. Every state institution has contributed to this oppression. This is the simple history of Bangladesh.

Is the state the root of all evil?

The example of contemporary states suggests that this is indeed the case. But how does one eradicate the state in a single step? Even one destroys their own state, other states still exist. Should one choose statelessness in the contemporary world that is divided by state boundaries? Do you not see the status of stateless people? That is why the Communists suggest the building of a communist state. That will reduce oppression. In a Communist state, you may think of making states extinct. While this may be possible on a theoretical level, in reality, the Bangladeshi state is being destroyed by Capitalist parties, such as Awami League, BNP, Jatiya Party, and Jama’at. Their governments have created these conditions.

So what happens when the government is the shareholder of the oppressor?

The government runs the state. And the government comes from political parties. The opposition is also part of this. Everyone usurps state power with the aspiration of rising to the upper class. In this country, a Member of the Parliament receives 5 Crore Taka in five years. State power is Capital in this business. Hence so much fighting over state power. Awami League, BNP, JP, Jama’at, and the Bangladeshi Army are all businessmen in this business. This business is not antithetical to their political character. They now hold the people hostage. There is only one way out, the people have engage in politics. Profit is the ultimate goal of these political groups. They will destroy citizens and hold them hostage to obtain power. How is this possible? Every group has citizens, everyone claims to be the citizens’ party.

So, have we seen it all?

We have yet to experience a government of left-wing parties. Their manifestos are certainly against profit, but they are a bit uncertain about whether they will run for elections or stage a revolution. They are experts at analysis, but when it comes to finding solutions, they take two steps forward and one step back. Currently, the profit making parties are facing a crisis. What will the left do? Like before, will they run to solve the crisis of AL and BNP? Or will they take the responsibility to govern and solve the crisis of this country? But why do we think that they differ from the others? Where is the evidence that they will do something different? We can gauge their success in starting revolutions for workers’ rights, meeting citizens’ demands, and preserving natural resources. But the very identity and existence of these groups give us hope for success if they are in power. Many will say that this is wishful thinking. I admit that it is.

We have yet to see

 When one’s hands and feet are tied, to endure torture silently may not be the only option. We have seen the government of AL-JP-BNP-JI, haven’t we! If we are done, can we not explore another option? If those whose politics lie outside of this circle come together, create an alliance, and stand in elections? Will the people vote for them? People want to come outside of this AL-BNP cycle, but where is the firm ground to stand on once they step outside? This is the time for pro-equality parties to ally and create such a ground. I understand that these groups hold different views and course. But will they not do what is necessary to come out of this AL-JP-BNP-JI situation? They can refrain from compromising their principle but reach a principled compromise for a better government. They can form an alliance with candidates across the country. If they have a candidate in every seat, and if citizens know this, the voting map may just change.

Ahmed Shamim is a Doctoral Candidate in Linguistics at the Graduate Center, City University of New York.

বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির প্রতি যদি তাকাই, তো কী দেখি?

দেখি, একটা রাষ্ট্র: যার খোদ সংবিধান বৈষম্যমূলক । যার সরকার-নির্বাচন মানে একটি দলকে স্বৈরাচার চালানোর ব্যবস্থা করে দেয়া। যার আমলাতন্ত্র চরম দুর্নীতিগ্রস্থ, যার মিলিটারি ক্যু-কাজে ওস্তাদ- মানে মাঝে মাঝই রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে- অন্যসময় আর্মিকে কর্পোরেট বানানোর যে প্রক্রিয়া চলছে তাতে ফিরে যায়। যার বিচার বিভাগ আর আইন প্রয়োগকারী প্রশাসন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের দ্বারা অহরই ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি যেখানে দেশী বিদেশী কর্পোরেট আর কনগ্লামারেটগুলোর মুনাফার মেশিন দেশটার জীবনীশক্তি শুষে তারে ছোবড়া বানানোর রাস্তায় আছে, আর এনজিওগুলো ওই দুর্যোগের মধ্যেই কী করে বাঁচতে হয় তার প্রশিক্ষণ আর প্রপ্সের যোগান দিয়ে যাচ্ছে। এই গেল এই রাষ্ট্রের এক দিক, অন্য দিকে নাগরিক।

তো এই রাষ্ট্রের নাগরিক কারা?

এক পারসেন্ট উচ্চ শ্রেণি। এত উচ্চে তাদের অবস্থান যে বাংলাদেশ সত্যি সত্যি ডুবে গেলে জল তাদের নাগাল পাবে না। তারা বিদেশে তাদের ভিটি গড়ার জন্য দেশের মাটি পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে, দেশটাকে একটা বিশাল খাঁদা বানিয়ে ফেলছে ক্রমশ। বাকি নিরানব্বই শতাংশ আবার দুই ভাগে বিভক্ত। এক, মধ্যশ্রেণি , যা আবার উচ্চ আর নিম্ন টানে টানা ছিঁড়ে যাচ্ছে সেলাই নিচ্ছে, তবু চলছে। আবার মধ্য নামকরণের বলেই কি না কে জানে নিজেকে সে সর্বজনের মধ্যমণিও মনে করছে, সবকিছুতে সর্বজনের কেন্দ্রে সে নিজেকে ভাবছে। এই অনুচ্চ শ্রেণিটির একটি অংশ উচ্চ শ্রেণি ছুঁয়ে আছে বলে তারা অনেকটা নিরাপদ। আরেকটা অংশ দিবারাত্র নিম্ন শ্রেণি পড়ে যাওয়ার ভয়ে সন্তস্ত্র । আর আছে নিষ্পেষিত নিম্নশ্রেণি । আগে তাদের অকথ্য শ্রম ছাড়াও দেয়ার মতো আরেকটি বিষয় ছিল,  ভোট। সাম্প্রতিক সময়ে এটা প্রমাণিত হয়েছে, তাদের ভোট সব বার দরকার নাই, কেবল শ্রম দিয়ে গেলেই চলবে।

এই যখন রাষ্ট্রের অবস্থা তাহলে তা চলছে কী করে?

সাধারণ জনগণের রক্ত আর ঘাম হচ্ছে এই রাষ্ট্র নামের মোটর কারের জ্বালানী। আর এর ড্রাইভার একেকবার একেক সাজের স্বৈরাচার সরকার। ফলে রাষ্ট্রের অর্থনীতি চলছে সাধারণ জনগণের ঘামে, আর রাজনীতি চলছে সেই জনগণেরই রক্তে। তবু এই নিম্ন মধ্য শ্রেণি আর নিম্ন শ্রেণির লোকদের দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি ত্রিভুজ যার ভেতর দেশ দাঁড়িয়ে আছে বলে এখনো আছে। ওই ত্রিভুজের বাহুগুলো হল: কৃষক, দেশের শ্রমিক, আর বিদেশে থাকা শ্রমিক। এরা উৎপাদক শ্রেণি। এই শ্রেণির শ্রমকে ব্যবহার করে, শোষণ করে এই দেশে উচ্চ শ্রেণি পয়দা হয়েছে। এখন প্রশ্ন, এই শোষণ সম্ভব কী করে হল? স্বাধীনতার পর থেকেই এই রাষ্ট্রই এই শোষণ ঘটিয়ে দেয়ার ইজারা নিয়েছে। রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠান এই শোষণ নিষ্কণ্টক করতে কাজ করেছে, কোন বাঁধা আসলে নিপীড়ন করে গুড়িয়ে দিয়েছে। এটাই বাংলাদেশের সরল ইতিহাস।

তাইলে রাষ্ট্রই যত নষ্টের গোড়া?

নৈরাষ্ট্রবাদীরা তাই বলে থাকেন। বর্তমান বিশ্বে রাষ্ট্রের উদাহরণগুলো ঘাঁটলে সে কথাই সত্য ঠেকে। কিন্তু রাষ্ট্রকে আপনি কী করে এক ধাপে উঠিয়ে দেবেন? আপনি আপনার রাষ্ট্র ভেঙ্গে দিলেন, তো পাশের রাষ্ট্রতো রয়ে গেল! রাষ্ট্রে দাগে ভাগ হওয়া এই বিশ্বে সহসাই রাষ্ট্রহীন হবেন? এই বিশ্বের রাষ্ট্রহীন জাতির অবস্থা দেখছেন না! তাই সাম্যবাদীরা বলেন, ঠিক আছে আসেন একটা কম্যুনিস্ট রাষ্ট্র গড়ে তুলি। তাতে শোষণ নিপীড়ন কমে আসবে। কম্যুনিস্ট বিশ্বে আপনি রাষ্ট্র বিলোপ করার কথা ভাবতে পারবেন। যাহোক এসব তাত্ত্বিক স্তরে না হয় হল, কিন্তু এক কথাতো বাস্তব, বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নষ্ট করছে আওয়ামী লীগ, বিনপি, জাপা আর জামাতের মত পুঁজিবাদী দলগুলো। এদের দ্বারা গঠিত সরকার গুলিই বাংলাদেশকে আজ এই অবস্থায় এনে দাঁড় করিয়েছে।

সরকারই যদি শোষকের ভাগীদার, তাইলে উপায়?

তো রাষ্ট্র চালায় সরকার। সরকার আসে রাজনৈতিক দল থেকে। বিরোধী দলও সরকারের দোসর। সবাই রাজনীতির ব্যবসা করে উচ্চ শ্রেণিতে জায়গা নেয়ার ধান্দায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। একজন সাংসদ মাত্র পাঁচ বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যায় এই দেশে। এই ব্যবসার পুঁজি হচ্ছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা। তাই ক্ষমতা দখল নিয়ে এত হানাহানি , লোকক্ষয়। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাপা, জামাত এবং বাংলাদেশের আর্মি এরা সকলেই এই ক্ষমতার ব্যবসার ব্যবসায়ী। তাদের রাজনৈতিক চরিত্রের সঙ্গে এই ব্যবসা বিরোধপূর্ণ নয়। কারণ এরা ঘোষিতভাবেই পুঁজিবাদী পক্ষ। মুনাফা এদের মঞ্জিলে মকসুদ । এরা জনগণকে মেরে কেটে জিম্মি করে ক্ষমতায় যাবে । জনগণ এখন জিম্মি। উপায় তাইলে একটাই, জনগণকে রাজনীতি করতে হবে। দল গড়তে হবে, জনগণের দল। সেটা কেমন হতে পারে? সব দলেইতো জনগণ আছে, সবারই দাবি তাদের দল জনগণের দল। কিন্তু আদতে সবাইকেতো দেখা হয়ে গেছে।

আসলেই কী সব দেখা হয়ে গেছে?

দেখার বাকি আছে বামপন্থি দলগুলোর দেশ পরিচালনা। তাদের মেনিফেস্টো মুনাফা বিরোধী বটে , কিন্তু বাংলাদেশে তারা ভোট করবে না বিপ্লব করবে তা তারাও হয় অত পরিষ্কার না। এ নাগাদ দেখা গেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমস্যার অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণে তারা সিদ্ধ হস্ত, কিন্তু সমাধানের পথে এক আগানো আর দুই পা পিছানোর মধ্যেই আটকে আছে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে, মুনাফা পন্থি দলগুলো এক্ষণ একটা সঙ্কটে আছে। বামপন্থি দলগুলো এখন কী করবে? আগের মত দৌড়ে গিয়ে আওয়ামী বিএনপি’র সঙ্কটের সমাধান করে দেবে? নাকি দেশের সঙ্কট দূর করতে দেশ পরিচানলার ভার কাঁধে নেয়ার যোগাড়যন্ত্র করবে? কিন্তু আমরা তাদেরকে আলাদা ভাবব কেন? তারা যে আলাদা কিছু করবে তার প্রমাণ কী? তা ঘটা করে বলা হয়ত যাবে না। কিন্তু ইতোমধ্যে কৃষক আর শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা আদায়ের সংগ্রাম, সাধারণ জনগণের দাবি দাওয়ার সংগ্রাম, জাতীয় সম্পদ রক্ষার সংগ্রাম ইত্যাদি বিষয়ে বামপন্থি দলগুলোর কতটা তারচে বড় কথা হল দলগুলোর পরিচয় আর অস্তিত্বই দাঁড়িয়েছে এই কাজে। তো রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এরা এই কাজে সাফল্য অর্জন করবেন আশা করা যায় এই বেলা। অনেকে বলবেন এটা উইস্ফুল থিকিং। আমি তা স্বীকার করি।

দেখা হয় নাই দুই পা ফেলিয়া

হাতপা যার বাঁধা, নীরবে মার খাওয়া ছাড়াও তার আরেকটি কাজ কিন্তু করা যায়। তা হল, ওই উইস্ফুল থিকিংটা আওড়ে যাওয়া। আচ্ছা আওয়ামী-জাপা বিএনপি-জামাত- এদের শাসনতো আমাদের দেখা শেষ, শেষ না! যদি শেষ হয় তো আরেকটা সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যায় না কি? এই চক্রের বাইরে যারা রাজনীতি করেন তারা যদি জোট বাঁধেন, একটা মোর্চা করে নির্বাচনে নামেন? জনগণ কি তাদের ভোট দেবে? জনগণ এই আওয়ামী-বিএনপি চক্রের বাইরে হয়ত যেতে চায়, কিন্তু ওই চক্রের বাইরে গিয়ে দাঁড়াবে তেমন শক্ত মাটি কই? এখন মোক্ষম সময় সাম্যের পক্ষের দলগুলো এক জোট বেঁধে সেই ভিত তৈরি করার। বুঝলাম সে দলগুলোর মধ্যে মত-পথ নিয়ে অনেক পার্থক্য আছে। কিন্তু এই জলে আওয়ামী লীগ-জাপা ডাঙ্গায় বিএনপি-জামাত অবস্থা থেকে বের হওয়ার জন্য যা করা দরকার তা তারা করবে না কি? একটি বেহতর সরকার গঠনের জন্য তারা কিন্তু তাদের principle compromise না করেই কিন্তু একটা principled compromise এ আসতে পারেন। এক জোট হয়ে সারাদেশে প্রার্থী দিতে পারেন। তাদের যদি প্রতিটি সীটে প্রার্থী থাকে, জনগণ যদি তা জানে, তাতে ভোটে চিত্র পাল্টে যাবে না এমনটা কিন্তু হলফ করে বলা যায় না।


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in: Logo

You are commenting using your account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: