Teach Your Sons

Photo: bdnews24.com
Photo: bdnews24.com

Teach Your Sons

By Irfanur Rahman Rafin, translated by AlalODulal.org (Bangla original below)

My mother taught me something at the beginning of my teenage years. I lived in Savar at the time and had started to experience some of the human body’s mysteries. I was taking a nap one afternoon and had slept through the evening. A bit of a depressing time. My mother woke me up and sat next to me. She said that she had something to say.

I thought that she would say something about schoolwork, but ammu did not even broach that topic. She said that I was now growing up. People go through some changes at this age. Boys and girls experience these changes differently. I asked, why the difference? She smiled and said that it was because Allah had created boys in one form and girls in another. It was not a very logical answer, but I accepted her explanation without protest.

Ammu said that I will feel good when I see girls and this will feel different. It is normal. However, no matter how much I like a girl, I should not touch her unless she wants to be touched. To touch a girl when she is unwilling is a very bad thing, because it will hurt her very much. She said, if you had a little sister and she cried because she felt bad when a boy touched her, how would you feel? Remember this. Always.

I grew up during some terrible times and was affected by some misdeeds. We used to transfer porn videos vai blue tooth when we were in class seven-eight, our elders told it blue film and we told it XXX, I don’t know what teenagers of this time tells. Girls had it in their phones, not just boys. Perhaps perversion is normalized in societies where people have alarming curiosity regarding sex. Western states are making a business out of pornography by taking advantage of this curiosity. They use our weaknesses.

Whatever little information schoolbooks provide about sex makes it look like a biological phenomenon and not a mysterious physical act. According to such books, sex is almost like undergoing a kidney transplant. This is not enough. It is important to also think about how to do it.

A lot of people support restricting interactions between men and women. This may be okay until they are eighteen. But this is illogical among adults. Following the unfortunate pohela boishakh incident, these people proposed barring women from public festivities. But women are subject to sexual assault at home, in schools, colleges, universities, in fields, factories, offices, markets, public transportation, from the age of seven to seventy. Are they supposed to bar themselves from all areas, or kill themselves out of the need for security? What will men do then? This is not the way. Preventing interaction creates distance, which affects men’s well-being and their masculine gaze empowers them. It is the mentally ill that extend their hands to touch women. So I am in favor of the forbidden mixing of men and women. The middle-class values that restrict such interactions are the biggest illness of this class.

Women have been taught many things. Men have taken many educational endeavors in their hands. They are interested in institutionalizing such practices. Women should do this and that. You have lectured enough. Now stop. Teach your sons not to touch women without their consent, just like my mother did. From my point of view, this education is more important.

আপনার ছেলেকে শেখান

কৈশোরের শুরুতেই শিক্ষাটা পেয়েছিলাম আম্মুর কাছ থেকে। আমার মনে আছে, আমি তখন সাভারে থাকি, এবং শরীরের রহস্য কিছুটা টের পাচ্ছি। একদিন দুপুরে ঘুমুচ্ছিলাম, ঘুম ভাঙতে ভাঙতে, সন্ধ্যা। মন খারাপ করা একটা সময় থাকে না? ওটা। আম্মু আমাকে হঠাৎ ডেকে নিয়ে পাশে বসালো। তারপর বললো আমার সাথে কিছু কথা আছে।

আমি ভাবলাম পড়াশোনা নিয়ে হয়তো কিছু বলবে, কিন্তু আম্মু তার ধারে-কাছে দিয়ে গেলো না, সে অপ্রত্যাশিত একটা প্সরঙ্গে আলাপ শুরু করলো। বললো, আমি আর ছোটো নেই, বড়ো হচ্ছি। এ সময় সব মানুষের কিছু পরিবর্তন হয়। ছেলেদের একভাবে হয় আর মেয়েদের একভাবে হয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম দুই ভাবে হয় কেনো? আম্মু হেসে ফেলে বললো কেননা আল্লাহ ছেলেদেরকে একভাবে সৃষ্টি করেছেন আর মেয়েদেরকে অন্যভাবে। খুব যে যৌক্তিক উত্তর বলা যাবে না, কিন্তু তখনো যুক্তিবিদ্যা সম্পর্কে ধারণা ছিলো না, তাই আম্মুর উত্তরটা বিনা তর্কে মেনে নিলাম।

আম্মু এভাবে বললো, এখন থেকে মেয়েদের দেখলে ভালো লাগবে তোর, আর অই ভালো লাগাটা একটু অন্য রকম। এটা ঠিকই আছে। কিন্তু কোনো মেয়েকে যতোই ভালো লাগুক, সে যদি না চায়, নিজে থেকে তার গায়ে হাত দিবি না। কোনো মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার গায়ে হাত দেওয়া খুবই খারাপ কাজ, কারণ, এতে মেয়েটা খুব কষ্ট পায়। তোর যদি একটা ছোটো বোন থাকতো, আর যদি তার গায়ে কোনো ছেলে হাত দেওয়ায় সে কষ্ট পেয়ে কাঁদতো, তোর কি ভালো লাগতো বাবা? এটা মাথায় রাখবি। সবসময়।

সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাওয়া সময়ে বড়ো হয়েছি। সেই সময়ের নানাবিধ পাপ আমাকেও স্পর্শ করেছে। ক্লাস সেভেন-এইটে থাকতেই আমাদের মোবাইলে মোবাইলে পর্নোগ্রাফির ভিডিও ব্লুটুথ-মাধ্যমে ট্রান্সফার হয়েছে, আমাদের অগ্রজ কোমলমতিরা ব্লু ফিল্ম বলতো আর আমরা থ্রিএক্স বলতাম, এখনকার কোমলমতিরা কি বলে জানি না। শুধু ছেলেদের মোবাইলে না, মেয়েদের মোবাইলেও, জানি। যেই সমাজে সেক্স সম্পর্ক অলৌকিক আতঙ্ক থাকে, সেই সমাজে হয়তো পারভারশনই স্বাভাবিকীকৃত হয়। এই অলৌকিক আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো রমরমা ব্যবসা করছে পর্নোগ্রাফির, আমাদের দুর্বলতাকে কাজে লাগায় ওরা, শিয়ালেরা। তাই যে-কোনো একপক্ষের উদ্দেশ্যে তালি দেওয়া বা গালি দেওয়ার আগে এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের রাজনীতি মাথায় রাখা উচিত।

স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোতে সেক্স সম্পর্কে সামান্য যা আছে, তাতে মনে হয় না সেক্স রক্তমাংসের রহস্যময়তা, মনে হয় সেক্স শুধুই একটা বায়োলজিকাল ব্যাপার। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা আর সেক্স করা একই কথা। পাঠ্যবইয়ে সেক্সের প্রসঙ্গ অন্তর্ভুক্ত করাটাই যথেষ্ট না, কিভাবে করা হচ্ছে সেটা নিয়ে চিন্তাভাবনা জরুরী, নইলে আম আর ছালা দুইটা একসাথে যাবে।

অনেকে নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশার বিরোধিতা করেন। ১৮ বছরের আগ পর্যন্ত এটা ঠিকই আছে। কিন্তু প্রাপ্রবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে এই বিরোধিতা অযৌক্তিক। পহেলা বৈশাখের ন্যাক্কারজনক ঘটনাটির কারণে অনেকে বলছেন নারীদের এইসব উৎসব বর্জন করা উচিত। কিন্তু নারীরা তো ঘরে-বাইরে-স্কুলে-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে-মাঠে-কারখানায়-অফিসে-আদালতে-হাটে-বাজারে-বাসে-ট্রেনে যৌন সহিংসতার শিকার হয়, ৭ থেকে ৭০, যে-কোনো-বয়সের নারী। নারী কি নিজেকে নিষিদ্ধ করে দেবে সকল এলাকায়, নাকি নিরাপত্তার খাতিরে, আত্মহত্যা করবে? তখন পুরুষরা কি পাথরের পেট থেকে জন্মাবে? না, এভাবে নয়, এভাবে ঠিক হয় না। মেলামেশায় বাধা সৃষ্টি করলেই অবদমন তৈরি হয়। সেই অবদমন পুরুষদের সুস্থতা নষ্ট করে ফেলে, আর, পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে ক্ষমতায়িত করে। অসুস্থরা নারীর দিকে বাড়িয়ে দেয় বিকারগ্রস্ত হাত। তাই আমি নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশার পক্ষে। মেলামেশাবিরোধী মূল্যবোধটা মধ্যবিত্তের, বাঙালি মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বড়ো অসুখের নাম মূল্যবোধ, যা আত্ম-প্রতারণার প্রতিশব্দ।

নারীদেরকে ৮,০০০ বছর অনেক কিছু শেখানো হয়েছে, নানা ধরণের শিক্ষাদান কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন পুরুষরা, পুরুষদের ঈশ্বরের কাজ হয়েছে সে-সব লিপিবদ্ধ করা। মেয়েদের হ্যান করা উচিত ত্যান করা উচিত, অনেক লেকচার দিয়েছেন, এবার একটু থামুন। আপনার ছেলেকে শেখান মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের গায়ে হাত না দিতে, আমার মা যেমন আমাকে শিখিয়েছিলেন, আমার ধারণা এই শিক্ষাটা দেওয়া বেশি জরুরী।

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s