Pinaki Bhattacharya: West Bengal’s attitude to Bengali Muslim

Pinaki Bhattacharya:  West Bengal’s attitude to Bengali Muslim

The image is sourced from http://twicsy.com/i/GtxzVd

“When our books are in the hands of Bangladeshi readers, they never ask — What is the religion of the writer? They judge it by whether it’s readable, whether the story is charming, or whether it’s pleasant to read. But when our Hindu readers from West Bengal, reading books by Bangladeshi authors, come across words such as amma, fufa, namaaz, they have a strange reaction. And it’s due to this reaction that books by many Bangladeshi writers don’t reach the readers here. I want to state this very clearly: compared to Bangladeshi readers, the readers from West Bengal are a lot more fundamentalist.” — Samaresh Majumdar.

This is a very curious quotation by Samaresh Majumdar. It should be noted, however, that he uses the word “fundamentalist” to mean “communal.” The unease associated with reading a book by Muslim writers is communal rather than fundamentalist.

There is a political aspect to this realization by Samaresh Majumdar. It is clear from this statement of the cultural rejection of East Bengal (Bangladesh) from the mental landscape of West Bengal. This rejection is related to political power. This communal rejection is politically encouraged so as to obstruct the possibility of a national unification of West and East Bengals on the intellectual level.

Only when West Bengal will be able to appreciate the political gains by the Bengali Muslims, the conditions will be created for the two Bengals to come closer to each other. You may also ask, is the gain by Bangladesh only for the Bengali Muslims? Judging by numbers, we have to give them the credit.

It was this East Bengal which resisted the attack of the Aryans, fought against caste discrimination, founded the first nation for Bengalis. And their biggest achievement was to unify all the people of this land regardless of their religion and race in the fight for their national freedom. In the recent history of the Bengalis, it was the East Bengali leader, Sheikh Mujibur Rahman, who was able to bind Hindu, Muslims, Buddhists and Christians into the Bengali identity.

With their Muslim religious identity the Bengali Muslims were able to mount an armed assault at the heart of the religious state of Pakistan, and so it is very unfortunate to attempt to paint the Bengali Muslims as fundamentalist and communal.

Original post in Bengali: 

“আমাদের বই যখন বাংলাদেশের পাঠকরা হাতে পান, তখন তারা বিচার করেন না- এটা কোন ধর্মের লেখক। তারা বিচার করেন এটা পাঠযোগ্য কিনা, কাহিনী তার ভালো লাগছে কি না, কিংবা পড়তে তার আরাম লাগছে কি না। কিন্তু বাংলাদেশের লেখকদের বই আমাদের পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু পাঠকরা আম্মা, ফুপা, নামাজ এইশব্দগুলো যখন দেখতে পায়- তখন তাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এবং এই প্রতিক্রিয়ার কারণেই বাংলাদেশের অনেক লেখকের বই এখানকার পাঠকদের কাছে পৌঁছে না। আমি পরিষ্কার করে বলছি, বাংলাদেশের পাঠকদের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু পাঠকরা অনেক বেশি মৌলবাদী।” সমরেশ মজুমদার

তাঁর এই উপলব্ধিটা বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। উনি অবশ্য মৌলবাদী শব্দটা সম্ভবত সাম্প্রদায়িক অর্থে ব্যবহার করতে চেয়েছেন। মুসলমান বাঙালির বই পড়তে অস্বস্তি হওয়াটা মৌলবাদ নয় বরং সাম্প্রদায়িকতা।

সমরেশ মজুমদারের উপলব্ধির একটা রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে। এই বক্তব্যে এটা পরিস্কার পশ্চিমবঙ্গ সাধারণভাবে পূর্ববঙ্গকে (বাংলাদেশকে) সাংস্কৃতিকভাবে মনোজগতে প্রত্যাখ্যান করে। এই প্রত্যাখ্যান রাজনৈতিক ক্ষমতার সাথে সংযুক্ত। পশ্চিমবঙ্গ যেন পূর্ববঙ্গের সাথে জাতিগত মানসিক ঐক্যের জায়গায় দাড়াতে না পারে সেইজন্যই এই সাম্প্রদায়িকতার চর্চাকে রাজনৈতিক ভাবে উৎসাহিত করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ যখন বাঙালি মুসলমানদের রাজনৈতিক অর্জনকে অ্যাপ্রিশিয়েট করতে শিখবে তখনই পরস্পর পরস্পরের কাছাকাছি আসার শর্ত তৈরি হবে। আবার প্রশ্ন করতে পারেন, বাংলাদেশের অর্জন কি শুধু বাঙালি মুসলমানের অর্জন? সংখ্যার বিচারে অর্জনের কৃতিত্ব অবশ্যই তাঁদের দিতেই হবে।

এই পূর্ববঙ্গই আর্য আক্রমন প্রতিহত করেছে, জাত পাতের বিরুদ্ধে লড়েছে, বাঙালির প্রথম রাষ্ট্র গঠন করেছে। আর সবচেয়ে বড় কথা এই ভূখণ্ডের ধর্ম বর্ণ জাতি নির্বিশেষে সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে শামিল করেছে। বাঙালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টানকে বাঙালি আত্মপরিচয়ে একসাথে বেঁধে ফেলতে পেরেছে এই পূর্ববঙ্গের নেতা শেখ মুজিবর রহমান।

ধর্ম পরিচয়ে মুসলমান হয়ে ধর্মবাদী রাষ্ট্র পাকিস্তানের ভিত্তিমুলে সশস্ত্র আঘাত করার সক্ষমতা যেই বাঙালি মুসলমান দেখিয়েছে তাকে সাধারণভাবে সাম্প্রদায়িক আর মৌলবাদী বলে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা বড়ই দুঃখজনক।

One comment

  1. অর্থহীন, একপেশে, অযৌক্তিক লেখা। “তাকে সাধারণভাবে সাম্প্রদায়িক আর মৌলবাদী বলে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা বড়ই দুঃখজনক।” কে এই প্রচেষ্টা নিল, তা পরিষ্কার হল না। বোধকরি পিনাকী মশায় বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যদি “বাংলাদেশের মুসলিমদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের বাঙালি হিন্দু” জাতীয় কোন রচনা লিখতেন, তাহলে তা অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হতো। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা নিজেদের মেয়ের বিয়ে মুসলমানের সাথে দিয়েছে, প্রকাশ্য রাস্তায় গরু খাবার অায়োজন করেছে, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে মুসলমানকে বসিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো অফিস মুসলমানের হাতে দিয়েছে, তাদের ক্রিকেট দলের প্রধান ছিল মুসলমান। আর না বলি, বাংলাদেশের দৃষ্টিতে বিষয়টি দেখার জন্য বিশেষ অনুরোধ রইল। নইলে বিদেশ ভারতের দৃষ্টিকোন বিচারের সাথে সাথে পাকিস্তান, ইরান, সৌদী আরবের দৃষ্টিতে হিন্দু লেখকদের প্রসঙ্গগুলোও চলে আসতে পারে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s