Our old freedom fighter wanders the streets

“So our old freedom fighter wanders the streets. He will go to the wrong meeting, the wrong gathering, the endless newspaper offices. Suddenly he will fly into a rage at a tea shop and start screaming…The more you travel downwards in our classist society, the more this hate [for war criminals], this obstinate rage. And in the upper echelons, only honey and unity.”

Our old freedom fighter wanders the streets

by Faruk Wasif, translated for AlalODulal.org by Khujeci Tomai

The old freedom fighter, who was attacked at a “Liberation War” meeting of the war criminals of Jamaat e Islami, this is his photo. This is his interview, o newspaper readers. Look closely at his face, his speech.

Freedom fighter Ali Aman attacked at Jamaat meeting, 2008.
Freedom fighter Ali Aman attacked at Jamaat meeting, 2008. © ETV

In the land of the 1971 liberation war, the great Sector Commanders squeal like kittens as they demand justice. They do this only at polite tea ceremonies at home. They cannot hold a meeting without TV cameras and bottled mineral water. They go to the current illegal occupiers of power and make gentle requests, “Sir, they are bad people, sir. Please give us justice, sir.” They are the gentleman war veterans who have reached sky-high wealth. Sitting on their perch, they secretly hug the Jamaati war criminals and the Pakistan supporting brother American power. In the midst of such a busy schedule, they never have time to join the thousands of people who went to the streets to block Saidi and Ghulam Azam’s meetings. Instead of sending a protest rally, they send infiltrators. Whether that does the trick or not, the media bonanza continues, the issue stays alive, and in the afterlife they will fill the vote box.

Read the news, look at this man’s face. The man did not start shouting at the Jamaat meeting. He felt cheated, walked out and started venting his rage. No one called him, he was fired up on his own anger. The journalists saw the opening and walked in, just as Jamaat workers attacked him, and the news spread. Now we have the toasty hot news! Now all the professional statement makers will lob their statement bombs, where else but at newspaper offices? These people live to give statements and get on the 9’o clock news!

But go back to the interview. If you have ever spoken to one of these poverty-broken angry frustrated freedom fighters, you will know that steady stare, that raised finger, that caged heat, which only a true fighter still holds on to. His body is also a document, his language is also a certificate. We have to read all this. My reading tells me that this man will speak again. They are all waiting for one chance, just one chance, to start the 1971 war again. They come to raise hell, spread poison on the happy party, explode with the lava of their hate. And us? All we can do is write a poem. At most!

The more you travel downwards in our classist society, the more this hate [for war criminals], this obstinate rage. And in the upper echelons, only honey and unity. At these high altitudes, all passions have faded to grey from the sweet nectar of creature comforts. Fire won’t catch here, only pleasures will flow. The sweet taste of money and power gives them orgasms. And everyone knows, at the time of orgasm, you forget whether under you is mother or grandmother, country or land, 1971 or 1982. They too have forgotten everything. Even in 1971, they were whoring, cheating and enjoying?on this side and that side of the border. Today they have split into many political parties and are cooking up the same tricks of the trade. Have you noticed, in 1971 no Awami League leader died in a Thana of Mafaswal?

So it goes. So our old freedom fighter wanders the streets. He will go to the wrong meeting, the wrong gathering, the endless newspaper offices. Suddenly he will fly into a rage at a tea shop and start screaming. At home his wife and children will curse him and say “What bloody independence war? What have you given us?” He will run out of his house, again prick up his ears: is my mother, my country calling me? His helpless wandering will be the juicy news for the media, he will become a plaything for our complacent Sector Commanders. He will be bought and sold by everybody. A few days later, after the fuss dies down, the Islamists will come to his home. They will offer him money, they will threaten to slit his throat. Even if he does not sell out, he will be afraid for his family. He will lapse into silence. The media and the gentlefolk will stop searching for him. They will go and hunt another war veteran to sell. Business as usual.

But no matter how many times people try to sell them, they remain unbroken. They will die, and in their place, from the subaltern, will wake up new people? in Kansat, in Fulbari. The 27 corpses of Kansat, the three teenage bodies of Fulbari, the villagers are still holding on to their martyrdom. In the village, they call Fulbari “liberation war”, they compare it to 1971. In this way, 1971 wakes up again and again, not frozen as a dead history. The war will not end. A new battle is ahead. Because 71 is not so cheap, so fragile. The working class crossed the border and became refugees in 1971. Today they roam around, inside their own country, as refugees. In 1971 there were 10 million refugees, and today there are 60/70 million landless, living under the poverty line. They wander around all day, ghosts among us. In 1971, that was the total population of Bangladesh! People will organize again, along these lines of struggle. But tragically, we might fail to recognize them. We may call them hooligans, terrorists or Maoists. Even the dragon worshipper flees when the dragon finally arrives.

There is no space for them in our genteel liberation war narrative. And in their authentic liberation war, there is no companion, no leader. But because these people still survive, even the question, the possibility remains. We were reminded of this once again by an unknown, dirt poor, carpenter. He is so incredibly weak?no money, no party, no support, and yet he shook us to the core of our essence. He raised all the questions we hide from. This power, only “they” have. Because they have lost everything and realized, I have nothing left to lose. That is why they can take risks. Even after war criminals beat them, they shout “I will keep demanding justice.” They dare do what our seasonal “Sector Commanders” or the frogs of our syphilis society cannot.

তার আগে, লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখুন, সে কে? কেন সে বিচার চায়?
লিখেছেন ফারুক ওয়াসিফ

যে মুক্তিযোদ্ধা গতপরশু জামাতি মুক্তিযোদ্ধা সংষ্করণের সম্মেলনে লাঞ্ছিত হয়েছিলেন এই তাঁর ছবি, এই তাঁর সাক্ষাতকার দৈনিক সমকাল। ভাল করে খেয়াল করে দেখুন চেহারাটা আর বক্তব্যটা। লোকটা কি পেইড? সন্দেহ করা, প্রশ্ন করা আমার পেশা এবং অভ্যাসও বটে! সে কি সম্মেলন ভণ্ডুল করতে গিয়েছিল? হতে পারে না? অবশ্যই পারে।

মুক্তিযুদ্ধের দেশে যখন মহান সেক্টর কমান্ডাররা মিউমিউ করে বিচার চান ঘরোয়া চায়ের মজলিশে, যখন ক্যামেরা ছাড়া আর মিনারেল ওয়াটার বিনা তারা সভা করতেই পারেন না। যখন ক্ষমতার জবরদখলকারীদের কাছে গিয়ে আব্দার করেন, ‌’অরা খারাপ স্যার, অগো বিচার করেন স্যার!’, যখন বাবু মুক্তিযোদ্ধাদের বেশিরভাগই সফল হতে হতে আকাশে উঠে চলেছেন, আর সেই আকাশে দৃষ্টির অগোচরে জামাতি রাজাকার আর একাত্তরে দখলদারদের সখা মার্কিনীদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, তখন নব্বই-এর পরের কয়েক বছরের মতো, হাজার হাজার মানুষ নিয়ে সাঈদি আর গোলাম আজমের সভা প্রতিরোধ করার সময় ও সুযোগ কোথায় তাঁদের? তখন মিছিল না পাঠিয়ে অনুপ্রবেশকারি পাঠানোই সহজ রাস্তা। তাতে কাজের কাজ কিছু না হোক, মিডিয়া মৌতাত চলবে, ইস্যু চাঙা হবে, আখেরে ভোটের বাক্সে কুদরত ফলবে। তাই উড়িয়ে দিই না যে, ওই মুক্তিযোদ্ধা ভণ্ডদের সমাবেশে আরেকজন ‘নব্য ভণ্ড’ হতেই পারে।

কিন্তু খবরটা পড়েন, আর লোকটার চেহারা দেখেন। লোকটি সভায় বিরাট হৈ চৈ করে নাই, প্রতারিত বোধ করে বেরিয়ে এসে ক্ষোভের কথা বলেছে। লোকও ডাকে নাই, গরম হয়েছে নিজের গরজে। আর সাংবাদিক মওকা বুঝে ব্যবস্থা নিয়েছে, খবর রটেছে। ব্যস, মাঠ গরম করা সংবাদ তৈরি হয়ে গেল! এখন বিবৃতিবাজরা বিবৃতির বোমা মারতে থাকবেন, আর কোথাও না পত্রিকা অফিসে! মিডিয়ায় না উঠলে এদের অনেকের টিকিটিও দেখা যেত না। এরা মিডিয়ার জন্য বিবৃতি দেন, নরম-গরম কথা ছাড়েন!

কিন্তু ওই সাক্ষাতকারটি যারা পড়বেন এবং যাদের এরকম দরিদ্র-বিষন্ন-ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কখনো কথা হয়েছে, তারা বুঝবেন, এই চোখ, এই আঙুল তুলে কথা বলা, এবং এইরকম উত্তাপ মনে ধারণ করা, একজন খাঁটি যোদ্ধাকেই মানায়। শরীরও একটা দলিল, ভাষাও একটা সার্টিফিকেট। একে পাঠ করতে হয়। সেই পাঠ যদি করতে পারি তো মন বলছে, এই লোক আবারো এই কথা বলবে। এরা সুযোগ খোঁজে আবার যুদ্ধ শুরু করার। এরা ভাল করেই জানে, যুদ্ধ ছাড়া কোনো প্রতিকার নাই। তাই এলিট মহলের যে কেউ ডাকলেই এরা আশার পিঁপড়ার মতো গুটিগুটি পায়ে আসে। আসে বিষ ঢালতে, আসে মনের ঘৃণার লাভা উগড়াতে। আমরা বড় জোর লিখতে পারি একটি কবিতা!

এবং খেয়াল করলে দেখবেন, যত সমাজের তলার দিকে যাবেন, তত এই ঘৃণার ঝাঁঝ বাড়তে থাকবে, জেদের উত্তাপ সেখানেই বেশি। আর যত ওপরে উঠবেন, তত মধু আর মিলন। কেন? কারণ বুঝি বা, তাঁরা সব অর্থেই আজো নিজেদের পরাস্থই বোধ করেন। যেটা একাত্তরে যারা তাদের নেতা ছিল তারা করে না। তাই যত ওপরে যাবেন, ঘৃণা, জেদ, দায়বোধের মাত্রা সেখানে ফিকে। নানান আরামের রসে তাদের চেতনা ভিজে আছে। তাতে আর দহন ঘটে না, আরামের পুলক ঘটে। ক্ষমতা-বিত্তের স্বাদ তাদের মধ্যে অর্গ্যাজম ঘটায়। আর কে না জানে, অর্গ্যাজমের সময় তলায় মা না নানী, দেশ না মাটি, একাত্তর না বিরাশি কিছুই খেয়াল থাকে না। তাদেরও আর আজ কিছুই খেয়াল নাই। তারা একাত্তরেও বেশ্যাবাজি, ধান্দাবাজি, ফূর্তিবাজি করেছে ওপারে- ওপারে। আজো তারা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে সেই ফিকিরই চালাচ্ছে। খেয়াল করেছেন, একাত্তরে কোনো থানা বা মফস্বল পর্যায়ের আ লীগের নেতা মারা যান নাই (অনুসন্ধানটি মাহবুব লীলেনের, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা)!

তাই ওই বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা পথ হাতড়ে বেড়াবেন। যাবেন ভুল সম্মেলনে, ভুল জমায়েতে, ঘুরবেন পত্রিকা অফিসে। চায়ের দোকানে হঠাত ক্ষেপে উঠে চিতকার করবেন। বাড়িতে বউ ছেলেমেয়ের গালি খাবেন, ‘কীসের মুক্তিযোদ্ধা তুমি, কী দিয়েছ আমাদের’? তিনি তখন আবারো বাড়ির বাইরে যাবেন, আবারো কান পাতবেন, মা জননী কি ডাক দিল? তার এই ঘুরে বেড়ানোকে তখন তাকে বেচবে মিডিয়া, তাকে বেচবে সুখী সেক্টর কমান্ডাররা। তাকে বেচবে লেখক-সাংবাদিকেরা। এবং কয়দিন পর ভুলে যাবে। তখন হয়তো জামাতিরা আসবে তার বাড়িতে। টাকার লোভ দেখাবে, ভয় দেখাবে। তিনি বিক্রি যদি নাও হন, ভয় পাবেন। চুপ করে যাবেন। মিডিয়া আর ভদ্রবাবুরা তাঁকে আর খুঁজতে যাবে না। তারা তখন বেচার জন্য আরেকজন মুক্তিযোদ্ধাকে খুঁজে বার করবে। ব্যবসা চলবে।

কিন্তু শতবার বেচা হলেও, তাঁদের মূল্য ফুরাবে না। তাঁরা শেষ হবেন, কিন্তু তলার শ্রেণী থেকে আবারো মানুষ জাগবে কানসাটে, ফুলবাড়ীতে। কানসাটের ২৭ টি মানুষ, ফুলবাড়ীর তিনটি কিশোরের লাশ গ্রামের মানুষেরা শহীদি মর্যাদা দিয়েই আগলে রেখেছিল। সেই ঘটনাকেও তারা মুক্তিযুদ্ধই বলে, তুলনা করে একাত্তরেরই সঙ্গে। এভাবে একাত্তর বারবার জীবন্ত হবে, কেবল ইতিহাস হয়ে থাকবে না। সামনে সেই অবস্থা আবার তৈরি হবে। কেননা, তাদের যুদ্ধ ফুরায় না। কেননা একাত্তর এত ঠুনকো নয়। তারা আগে শরণার্থি হয়ে সীমান্ত পেরুতেন। এখন দেশের মধ্যে ঘুরে বেড়ান উদ্বাস্তু হয়ে। একাত্তরে উদ্বাস্তু ছিল এক কোটি এখন ছয়/সাত কোটি ভূমিহীন, দারিদ্র্য সীমার নীচে থাকা মানুষ ঘুরে বেড়ায় প্রেতের মতো সারাদিন। একাত্তরে গোটা বাংলাদেশে এই পরিমাণ মানুষই বাস করতো! এইসব শিবিরে আবারো লোক সংগঠিত হবে। কিন্তু দুঃখ তাদের হয়তো আমরা চিনব না। ভাবব, বিশৃঙ্খলাকারী, জঙ্গি বা মাওবাদী। ড্রাগনের পূজারিও ড্রাগন দেখলে পালায়।

আমাদের ভদ্রলোকি মুক্তিযুদ্ধে এদের ঠাঁই নাই, তাদের মুক্তিযুদ্ধেরও কোনো সঙ্গি নাই, নেতা নাই। কিন্তু তারা আছে বলেই প্রশ্নটা আছে, সম্ভাবনাটা আছে। সেই কথাটাই জানিয়ে দিয়ে গেল এক অখ্যাত হতদরিদ্র রং মিস্ত্রি। কত দূর্বল সে, দল নাই, অর্থ নাই, পেছনে সমর্থন নাই কিন্তু কতভাবে নাড়া দিয়ে গেল। কতভাবে প্রশ্ন তুলে গেল। এই ক্ষমতা আজো তাদেরই আছে। কারণ তারা সব হারিয়ে বুঝেছে, তাদের আর হারাবার কিছু নাই। তাই তারা ঝুঁকি নিতে পারে, রাজাকারের মার খেয়েও বলতে পারে, ‘আমি বিচার চেয়েই যাব।’ আমাদের মৌসুমি সেক্টর কমান্ডারেরা আর তাদের সঙ্গিসাথী আলোকিত মহাত্মন আর সিফিলিস সোসাইটির ব্যাঙাগুলান তাও বলতে পারে না। ছিহ্!

One thought on “Our old freedom fighter wanders the streets

  1. আমি লেখাটার মূল চেতনার সাথে একমত। কিন্তু, এই বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না যে, ” খেয়াল করেছেন, একাত্তরে কোনো থানা বা মফস্বল পর্যায়ের আ লীগের নেতা মারা যান নাই (অনুসন্ধানটি মাহবুব লীলেনের, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা)!”, কেননা মন্তব্যটি তথ্য ভিত্তিক নয়। যেহেতু আমি কোন দল করিনা তাই কোন দলকে ডিফেন্ড করার আমার কোন দায় দায়িত্ব নাই। তবে বাস্তব সত্যের বরখেলাফ হলে ইতিহাসটি সঠিক জানা এবং বলার গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বলতে চাই যে,মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর মূল টার্গেট ছিল সংখ্যালঘু হিন্দু, আওয়ামী লীগ এবং মুক্তিবাহিনীর সদস্য ও তাদের আশ্রয়দাতা পরিবার। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে কোন কোন স্থানে অগ্রসরমান পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে দুর্বল প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গিয়ে অনেক অনুগত আওয়ামী লীগের সদস্য প্রাণ হারায় এবং তাদের মধ্যে অনেক আঞ্চলিক নেতা-কর্মী তো ছিলেনই এমনকি ৬-৭ জন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও ছিলেন। কাদের মোল্লার ফাঁসির পর এখন দেশ জুড়ে জামাত-শিবিরের যে সহিংসতা চলছে, সেখানেও সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের পাশাপাশি যাদের প্রাণ যাচ্ছে তারা কিন্তু একদিকে যেমন জামাত-শিবিরের কর্মী ঠিক অন্যদিকে আওয়ামী-লীগ যুবলীগের কর্মী এবং নিরীহ সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীর সদস্যরা। অন্য কোন দলের নেতা বা কর্মীরা প্রাণ হারিয়েছে বলে আমি সংবাদে দেখিনি।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s