American Apparel, gain cheap popularity, but do not act as the grand savior

American_Apparel_logo
“more than three million women have been guaranteed jobs through the RMG sector, thus uplifting their status within the family, the society, and the state. If anyone has demolished the wall of repression, these are the millions of women workers of Bangladesh. If anybody has tasted freedom in whatever sense, it is these women. American Apparel, gain cheap popularity with your tantalizing ad all you want, but do not act as the grand savior…”

garments (1)

American Apparel, gain cheap popularity, but do not act as the grand savior

by Faiyaz Jamal, translated for AlalODulal.org by Nusrat Chowdhury

American Apparel, a US-based clothing chain, has caused quite a stir with one of its recent print advertisements. It features a photo of a half-naked young woman with the words, “Made in Bangladesh,” in big bold letters splashed across her chest. First I hadn’t a clue what it was about. Then I read more. Turns out, the model is an employee of American Apparel. Born in Bangladesh in a Muslim family, she’s been living in the US since she was four. Despite identifying herself as Bengali Muslim in her childhood and adolescence, she now considers herself a free individual beyond the confines of these categories. What the company is branding in this ad, then, is not its clothes, but her “freedom.”

I have nothing to say about how a company portrays women in its advertisements. Voluntarily revealing a part of one’s body is a personal decision regardless of what others think of it. What I seriously object to is the message conveyed in this ad. In my reading, the main point is this: When other American companies have their products made in Third World countries, including Bangladesh, American Apparel makes them here, in the United States, and thus guarantees fair wages. It is due to this great endeavor that the women employees of these companies, such as the model in question, are freeing themselves from the shackles of their backward cultures. More specifically, even the women of poor, conservative countries like Bangladesh are brushing off age-old norms and are becoming enlightened.

If my reading is right, what is actually “revealing” in this ad is the racism of American society. A century ago non-Western cultures would be directly labeled as “primitive.” Political correctness does not allow for such categorizations any longer, but the implicit message comes through clearly: “We are the best; our culture is the most advanced. You are backward, lowly, and regressive.” What is being valorized in this ad is the “rescue” of a woman from the clutches of a medieval society. Being fully respectful of the agency of the model, I would like to say to American Apparel that this woman has not found the kind of freedom you claim. Revealing one’s chest in an advertisement does not spell out “freedom.” Only economic self-sufficiency can free a group left behind. And this is precisely what has been happening in the ready-made garments sector in Bangladesh for the last three decades despite all its politics and problems. Not one or two, but more than three million women have been guaranteed jobs through the RMG sector, thus uplifting their status within the family, the society, and the state. If anyone has demolished the wall of repression, these are the millions of women workers of Bangladesh. If anybody has tasted freedom in whatever sense, it is these women. Gain cheap popularity with your tantalizing ad all you want, but do not act as the grand savior at the cost of tarnishing the image of my country and my culture.

আমেরিকান এপারেল নামের একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের একটি বিজ্ঞাপন নিয়ে বেশ হুলুস্থুল হচ্ছে সম্প্রতি। বিজ্ঞাপনটিতে একজন নারীকে দেখা যাচ্ছে উর্ধাঙ্গ অনাবৃত অবস্থায়। আর মেয়েটির ঠিক বুক বরাবর বড় হরফে লেখা “Made In Bangladesh”। বিজ্ঞাপনটি দেখে প্রথমে কিছুই বুঝতে পারিনি, পরে বিস্তারিত পড়ে বুঝলাম মডেল মেয়েটি আমেরিকান এপারেলের একজন কর্মী। বাংলাদেশে একটি মুসলিম পরিবারে জন্ম, চার বছর বয়স থেকে আমেরিকায় নিবাসী। শৈশব ও কৈশোরে পারিবারিক বাঙালি মুসলিম পরিচয়ে পরিচিত হলেও এখন তিনি নিজেকে এই পরিচয়ের গন্ডির বাইরে একজন মুক্ত মানুষ হিসেবে গন্য করেন। আমেরিকান এপারেল এই বিজ্ঞাপনটিতে এই মেয়েটির “মুক্ত” সত্তাকেই ব্র্যান্ডিং করেছে, কোনো কাপড়কে না।

কোনো প্রতিষ্ঠান তার বিজ্ঞাপনে নারীকে কিভাবে উপস্থাপন করবে, সেটা নিয়ে আমার বলার কিছু নেই। একজন মানুষ স্বেচ্ছায় তাঁর শরীরের কোন অংশ আবৃত করবেন, সেটাও তার ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিতে হবে, তা আমাদের পছন্দ হোক বা না হোক।

কিন্তু আমার গুরুতর আপত্তি আছে এই বিজ্ঞাপনের অন্তর্নিহিত তাত্পর্যে। আমি যা বুঝলাম, বিজ্ঞাপনটির মূল বক্তব্য হলো আমেরিকার অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যেখানে বাংলাদেশ সহ তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে জামা বানিয়ে নিয়ে আসে, আমেরিকান এপারেল নিজেদের দেশেই জামাগুলো তৈরী করে, শ্রমের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে। আমেরিকান এপারেলের এই মহান উদ্যোগের কারণে এই বিজ্ঞাপনের মডেলের মত প্রতিষ্ঠানের নারী কর্মীরা নিজেদের পশ্চাদপদ সংস্কৃতির অর্গল ছিন্ন করে মুক্ত হচ্ছেন, বিশেষ করে বাংলাদেশের মত একটি দরিদ্র দেশের রক্ষনশীল পরিবারের মেয়েরাও রীতিনীতিকে ঝেড়ে ফেলে আলোকিত হচ্ছে অবিরত।

যদি আমার অনুধাবন সঠিক হয়, তবে আমার বক্তব্য হচ্ছে বিজ্ঞাপনটিতে যদি কোনো কিছু নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়, তা হলো মার্কিন সাংস্কৃতিক জাত্যাভিমান। একশ বছর আগে বিজাতীয় সংস্কৃতিকে অবজ্ঞা করে “অসভ্য” বলা হত সরাসরি। এখন রাজনৈতিক সঠিকতা বজায় রাখতে সরাসরি হয়ত বলা হয়না, কিন্তু ভাবে ভঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয়া হয় ‘আমরা রাজা, আমাদের সংস্কৃতি সর্বশ্রেষ্ঠ, আর তোরা হলি প্রাকৃত, নীচ বংশীয় লোকজন, তোদের সংস্কৃতি মধ্যযুগীয়’। এই মধ্যযুগীয় সংস্কৃতির হাত থেকে একজন মেয়েকে “বাঁচানো”কে তাই মহিমান্বিত করা হচ্ছে। মেয়েটির ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধাশীলতা রেখেই আমেরিকান এপারেলকে বলে দিতে চাই, আপনাদের দাবিকৃত প্রকৃত মুক্তির সন্ধান মেয়েটি পায়নি। বিজ্ঞাপনে খোলা বুক নিয়ে দাঁড়ালেই মুক্তি মেলেনা, কেবল অর্থনৈতিক সাবলম্বনই পারে কোনো পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠিকে মুক্ত করতে। আর বাংলাদেশের বহু সমস্যা জর্জরিত গার্মেন্টস শিল্প ঠিক এই কাজটাই করে চলেছে গত ৩০ বছর যাবত।

এক জন দুই জন নয়, বরং ৩০ লাখেরও বেশি নারীকে কর্মসংস্থান দিয়ে পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রীয় পরিসরে করেছে, করছে প্রতিষ্ঠিত। রক্ষনশীলতার দেয়ালকে ছিন্ন যদি কেউ করে থাকে, তবে তারা হলো আমাদের এই ৩০ লক্ষ নারী কর্মী। মুক্তি যদি কেউ একটু হলেও পেয়ে থাকে, সেটাও এই কর্মীরাই। আপনারা বিজ্ঞাপনে সুড়সুড়ি দিয়ে বাহবা কুড়ালে কুড়ান, কিন্তু আমার দেশকে, আমার সংস্কৃতিকে নেগেটিভ ব্র্যান্ডিং করে নিজেরা মুক্তিদাতা সাজতে আসবেন না।

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s