How I wear my sari, what is it to you?
By Shamima Mitu, Womens Page; translated for by Zahur Ahmed 

She wore the sari below her belly button, with an open neck blouse that exposed her bare back. Her cleavage was revealed whenever she bended to get the food. Yes, absolutely, which man can control himself facing such tease? Oh yes, men can control themselves –– that is why only a few hyenas were identified during this year’s Bengali New Year’s festivals. Only a small number of “sexual harassment” did take place during this year’s celebrations, since not all men are rapists or sexual-abusers.

Supported by the silence of the rest, and they are not small in numbers, a few black sheep carry out sexual harassment. “Good male” is questioning the attires for the sake of religion –– “her shari below her belly button lured me”, “her bare back aroused me”, “I am a dog so I love meat”, “I am a fly, so I have a right to sit on unguarded sweets”.

I say, “If you are roused and can’t control it, you better cut it off”.

I cannot communicate with those who think Pohela Boishak is an anti-religious event. I want to communicate with those who think the girls’ clothes and the way they wore them are responsible for barbarically disrobing them in public during the festival. They had sinned, insulted the religion by wearing saris bellow their belly buttons, that’s what you say; and you, “the men” had protected the religion by uncovering them on the street, taught them a lesson.

Bravo, “the Great Men”. Dogs or flies do not have any faults. All faults are of “meats and sweets”.

If only sweets had covered themselves with a big piece of cloth, they would have been spared. So women must also be covered from head to toe. But rapes or sexual harassments would be acceptable and “feels legitimate” to you, even if an inch of their body is revealed!

I say, a girl has the right to go out independently. If you are aroused by girls on the streets, instead of pouncing on them on the roads, return home to masturbate. If you are overly– excited, gently insert eggs in your bottom. Or if a perverted lust gets hold of you, you could try to push yourself inside yourself (what they call in English “go f*** yourself”).

You want to be a meat loving beast or sweet loving fly – you can be. You can salivate as much as you like thinking of consuming “meats or sweets”, but you have no right to touch them, let alone attack them.

And we also, can finish our business, lock our doors retire to our beds. Instantly we close our eyes. In case, if we discover any faces in the dark. How much longer will we avoid all situations, hiding behind coloured glass and masks?

You are probably thinking as long as my house is not on fire, it is fine. What will I do if others are burnt: “Ah ha, hu hu“, put some updates on Facebook and Twitter expressing my feelings. That is all. Game over, money in my pocket.

Only a handful of boys carried out the sexual harassments. If the protestors are less than them, then remember, next time your mother, sister, wife would be undressed. They would do it on the streets, in schools, in colleges, and in the end they would do it in peoples’ houses. In order to ensure that the guilty are punished you should be on the streets. Take all the steps necessary.

The writer is a journalist and an activist.
Crossposted from Womens Chapter

শাড়ি নাভীর নিচে না উপরে, তাতে আপনার কী?

শামীমা মিতু: মেয়ে শাড়ি পড়েছে নাভীর নিচে, ব্লাউজের গলা বড় পিঠ খোলা। যখন খাবার খেতে গেল তখন নিচু হতেই ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিল। ঠিকই তো, এমন সাজ দিলে কোনো পুরুষের কি মাথা ঠিক থাকে? হ্যাঁ থাকে, বহু পুরুষের মাথা ঠিক থাকে বলেই এবারের বর্ষবরণের উৎসবে গুটি কয়েক হায়েনাকে শনাক্ত করা গেছে। সব পুরুষই ধর্ষক বা যৌন হয়রানিকারী নয় বলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে মাত্র কিছুসংখ্যক যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে!কিছু কুলাঙ্গার যৌন হয়রানি করে বাকিরা মৌনতা দিয়ে সমর্থন যোগায়, এই সংখ্যাটাও কম নয়। পোশাকের দোহাই দিয়ে, ধর্মের দোহাই দিয়ে ভালো সংখ্যক পুরুষ কারবালার মাতম তুলেছেন, চিৎকার করে জানাতে চাচ্ছেন- ‘শাড়ির নীচে মেয়েটির নাভী আমার শিশ্নানুভুতিতে আঘাত হেনেছে।’ ‘খোলা পিঠ আমার শিশ্নানুভূতিতে আঘাত হেনেছে।’ ‘আমি কুত্তা তাই মাংস খাওয়া আমার অধিকার’ ‘আমি মাছি তাই খোলা মিষ্টিতে বসা আমার অধিকার।’আমি বলি কি,  আপনার শিশ্নানুভুতি যদি সামলাতে না পারেন তাহলে বরং শিশ্নটাই কেটে ফেলুন।পহেলা বৈশাখকে যারা বিধর্মী উৎসব মনে করে তাদের সাথে আমার কোনো কথা হতে পারে না। কথা বলবো তাদের সাথে যাদের মনে হচ্ছে বর্ষবরণের উৎসবে একটা মেয়েকে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করে ফেলার মতো ভয়ংকর বর্বর ঘটনায় ‘মেয়েটার পোশাক ঠিক ছিল না’ দায়ী। শাড়ী নাভীর নিচে পরে মেয়েটি বড় অন্যায় করে ফেলেছে, ধর্মকে অবমাননা করেছে, অশ্লীলতা করেছে, আর আপনারা পুরুষরা ভরা রাস্তায় তাকে বিবস্ত্র করে ধর্মকে রক্ষা করেছেন, মেয়েটিকে উচিত শিক্ষা দিয়েছেন। সাবাশ মহা পুরুষেরা!!

মাছি কিংবা কুকুরের কোন দোষ নেই, দোষ হল মাংসের-মিষ্টির। মাংস বা মিষ্টি যদি নিজেদেরকে ঢেকে রাখত কয়েক খণ্ড, বিকট প্রকাণ্ড বস্ত্র দিয়ে, তাহলে তারা রক্ষা পেত। তাই নারীদেরকেও ঢেকে রাখতে হবে পা থেকে মাথা পর্যন্ত। শরীরের এক ইঞ্চি জায়গা দেখা গেলেও ধর্ষণ কিংবা যৌন হয়রানি বৈধ মনে হবে আপনার।

আমি বলি কি,  একটা মেয়ের সম্পূর্ণ অধিকার আছে স্বাধীনভাবে চলার। আপনার যদি রাস্তায় মেয়ে দেখলেই যৌনানুভূতি জাগে তাহলে মেয়েটির উপর ঝাঁপিয়ে না পড়ে বাসায় এসে হস্তমৈথুন করুন। বেশি উত্তেজিত হলে, পশ্চাৎদেশে ডিম ঢোকাতে পারেন কিংবা যদি বিকৃত কাম জাগে তবে কষ্ট করে নিজেই নিজের ভেতর প্রবেশ করতে পারেন (ইংরেজিতে যাকে বলে ফাক ইয়োরসেলফ)। আপনাকে কেউ বাধা দিবে না।

আপনি মাংসলোভী জানোয়ার হতে চান কিংবা নোংরা মাছি হতে চান- হতে পারেন। মাংসের কথা ভেবে যত ইচ্ছা লালা ফেলুন কিন্তু সেটির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার অধিকার আপনার নেই।

আর আমরাও, নিজের কাজটি গুছিয়ে ঘরে গিয়ে, দরজা এঁটে নিজেদের বিছানায় স্রেফ সেঁধিয়ে যাই। তারপর ঝটপট চোখ বন্ধ। পাছে অন্ধকারে মুখ-মুখোশের দেখা হয়ে যায়! আর কতদিন এভাবে রঙিন কাঁচের আড়ালে, মুখোশ পরে, সমস্ত পরিস্থিতি এড়িয়ে, গা বাঁচিয়ে চলবো আমরা?

আপনি ভাবছেন, আমাদের ঘরে আগুন না লাগলেই হলো। অন্যরা আগুনে পুড়ে গেলে কী আর করব, ‘আহা – উহু’র আপডেট দেব ফেসবুকে, ট্যুইট করব নিজের ফিলিংস। ব্যস। খেল খতম, পয়সা হজম।

হাতে গোনা কয়েকটা ছেলে যৌন হয়রানি করেছে, প্রতিবাদী যদি এর চাইতেও কম মানুষ হয়, তাহলে মনে রাখবেন, আগামীতে আপনার মা, বোন, বউ, ভাগনীদের বিবস্ত্র করবে। রাস্তায় করবে, স্কুল কলেজের সামনে করবে, শেষে বাড়িতে ঢুকে করবে। এই ঘটনায় দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে আমাদের রাস্তায় নামা উচিত। যা যা করণীয়, তাই করা উচিত।

(লেখক: সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্ট)