Corona Awareness: Cunning Alternative to Justice

© Mahmud Hossain Opu/Al Jazeera
© Mahmud Hossain Opu/Al Jazeera


By Manosh Chowdhury
, translated by AlaloDulal

I would annoy everyone, if I say we do not care much about the corona virus. I do not seek to belittle feelings of a bunch of aristocrats. As of myself, even dying of dysentery scares the hell out of me, let alone catching the corona. The issue of ‘not caring’ actually lies elsewhere.  

Infrastructure in health services is highly important in a crisis where very little one can do except to frequently wash hands and feets and keep clean, in general. It is futile to discuss how the health services have grown and how they have been regulated in Bangladesh.  

The state and the health authorities imposed extraneous, nonsensical rules and regulations even during the ADIS contagion. Eventually, people understood that if they refrained from doing three or four specific things they were safe. In addition, it was not an epidemic of this scale; at least not in an un-touristic place like Bangladesh.  

Everyone probably remembers the terrors of earthquakes and tremors. Which haunted us for a long while following the devastating earthquakes in Nepal.  At the time, people developed keen awareness about advance (and angelic) signs of the sudden jolts from various sources, and had forgotten them as quickly. I doubt any of my acquaintances would be able to mention where the cracks lie in the plates that could cause future quakes in how many years time without fresh googling. 

Alas, corona is not like the shivers of the past tremors. This is ongoing, months on months, exponential. It has already taken thousands of lives and has spread in continents after continents. Citizens are left to watch stern, heavy preparations and, so far, failures to tackle the virus in countries after countries. 

Our nation’s organisational structure and health system would not, could not augur any confidence.The perennial and immense injustice meted out to millions of destitute in providing food, cloth and shelter has now made these poor extremely vulnerable against this persistent assassin. How else to look at this except to note the cruel and unfair imbalance in production and distribution? 

In noticing such inequality, if you abase then remind yourself and accept that principle of ‘not caring’, ‘not taking unnecessary headaches’.  

I am among those who consider increasing awareness is a clever way to fight for justice. Modern nations and global world order have gained momentum on this. 

I do not mean to encourage defiance; nor have I decided to not clean hands and feet. Rather, my note is an annoyed reaction to endless, spread of ‘ridiculous remedies’, ‘healing methods’ being propagated by people on the internet. 

Corona-conversations are perhaps appropriate. I too have indulged. The above is also a corona-conversation. However, it is inspired by suggestions of some concocted ‘herbal remedies’. 

Viruses will always be here. Even after our deaths there will be new viruses. Arguing about whether they are sent by god or natural scientific phenomenon, would not weaken the virus. Would not lessen its potency. Yet, we are captivated by the mass-paranoia. Living this paranoia has become quite a vogue. 

I would dare to challenge thoughts such as ‘poor are careless about the corona virus’, with counter thoughts like ‘the poor are actually hapless against this virus; they are petrified of many other life-ending symptoms’. 

We have lost our direction. They, on the other hand, have lost their entire livelihood.

 


সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মকাণ্ড’ ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কর্মকাণ্ডের চতুর বিকল্প
– Manosh Chowdhury

যদি বলি, ‘করোনা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই’ নিশ্চয়ই বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত বিরক্ত করে ফেলব সকলকে। আমার উদ্দেশ্য নয় একদল সন্ত্রস্ত লোকের অনুভূতিকে খাটো করার। আর নিজের কথা যদি বলি, করোনা তো দূরের কথা, আমাশাতেও নিজের মৃত্যু কল্পনা আমার জন্য অত্যন্ত ভীতিপ্রদ। মাথাব্যথা না থাকার প্রসঙ্গটা অন্যত্র।

নিজের হাত পা ধোয়া বাদে যে বিপদে কোনো মানুষেরই কিছু করবার নেই, সেখানে বৃহত্তর কাঠামোর প্রশ্নটা অত্যন্ত গুরুতর। সেই বৃহত্তর কাঠামো বাংলাদেশে কীভাবে গড়ে উঠেছে, কী তার বিধিব্যবস্থা তা নিয়ে আলাপ না করাই মঙ্গল ধরে নিয়ে আগাচ্ছি।

এইডসের (আতঙ্ক) কালেও রাষ্ট্রসমেত বৃহৎ ব্যবস্থাগুলো আবোল তাবোল বিধিনিষেধের কাজগুলোই করে গেছে। কিন্তু একটা পর্যায়ে মানুষ অন্তত বুঝে গেছিলেন যে রোগটা থেকে দূরে থাকার জন্য তাঁর তিন চারটা কাজ না করতে পারলেই চলে। ওটা অতিমারী মহামারীর কোনো বিষয়ই ছিল না, অন্তত বাংলাদেশের মতো অপর্যটনীয় একটা দেশে। ওখানে ছিল রোগের নির্মমতাটাই কেবল।

ভূমিকম্পের (নাগরিক) আতঙ্কও নিশ্চয়ই সকলের মনে পড়ে। নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর সেটা দীর্ঘকাল বজায় ছিলও বটে। আকস্মিক (ও ঐশী) নিয়মে চলা ভূমিকম্পের আগাম সতর্কবার্তাগুলো লোকজন এখানে সেখানে পড়েছেন বটে; পরে ভুলেও গেছেন। কোথায় কোন ভূত্বক ফাটল রয়েছে যার কারণে আগামী কত বছরে কোথায় কী হতে পারে মনে হয় না আপনার-আমার পরিচিতরা নতুন গুগল করা ছাড়া আর বলতে পারবেন।

করোনা তা নয়। এটা লাগাতার, মাসের পর মাস, ক্রমবর্ধমান, সর্বাত্মক মৃত্যুকারণ হিসেবে খবরমর্যাদা তো লাভ করেইছে; উপরন্তু ক্রমাগত রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্রের গুরুগম্ভীর মোকাবিলা-প্রস্তুতি আর ফেইল-মারা সবটাই দেখতে হচ্ছে মানুষের। রাষ্ট্রের পরিকাঠামো, চিকিৎসা ব্যবস্থা, গরিবদের পেশাবিন্যাস, গৃহবিন্যাস, খাদ্য উৎপাদন আর বণ্টনে ভয়াবহ বে-ইনসাফ এসব প্রশ্নের বাইরে এই পারসিস্টেন্ট ঘাতককে দেখার উপায় কী? আর এই দেখতে গিয়ে যদি নিজেকে ‘বহত ছোটা কলাকার’ মনে হয়, তাহলে মাথাব্যথা ছেড়ে দেবার নীতিগ্রাহ্যতাও নিশ্চয়ই আপনারা মানবেন।

আমি তাদের দলে যারা ‘সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মকাণ্ড’কে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার কর্মকাণ্ডের চতুর বিকল্প হিসেবে দেখে। আধুনিক রাষ্ট্র ও বিশ্বব্যবস্থা এতে মুন্সিয়ানা অর্জন করেছে। আমার কথার মানে মোটেই এই নয় যে আমি হাত আর পা না ধোবার সংকল্প করেছি।

যাহোক, এই নোট লিখছি আসলে নেটে বসে লোকজনের পাঠানো ও সম্প্রচারিত লাগাতার আবোল-তাবোল ‘নিরাময়’ বার্তা পেতে পেতে বিরক্ত হয়ে। করোনালাপ হয়তো সঙ্গতই, আমিও তো অবশেষে করলাম। এটাও করোনালাপই। কিন্তু সেসব আলাপও আমাকে নিজ আলাপটুকু করবার জন্য উদ্বুদ্ধ করে নাই। করেছে চা টু থানকুনি পাতার প্রেসক্রিপশনে, আর অজস্র বানোয়াট গল্পের সম্প্রচারে।

ভাইরাস উৎপাদনের জমানায় আমাদের জীবন কাটবে, আমাদের মৃত্যুর পরও জীবনঘাতি ভাইরাস উৎপাদন ও বিস্তার কমবে বলে ভাবা কঠিন। সেই ভাইরাস বিধাতা পাঠিয়ে থাকুন বা বিজ্ঞান-অনুদাতা, তা নিয়ে তর্ক করলে ভাইরাসের ক্ষমতা কমবে না। প্রাণঘাতি যোগ্যতা কমবে না। কিন্তু গণ-প্যারানয়ার অবলোপ ঘটার দরকার পড়বে তো আমাদের। এই প্যারানয়া অবকাশ জীবনের অংশ হয়ে পড়ছে; পরে, বেঁচে থাকলে, যদি আর ভুলতে না পারেন কেউ!

আর সাহস করে বলি যে গরিব লোক ‘অসচেতন’ বলে গা করছেন না ব্যাপারটা এরকম লাগল না আমার। আমার মনে হচ্ছে ভাইরাসের ভয়ে কাবু হবার সুযোগ পাচ্ছেন না তাঁরা, অন্য গুরুতর প্রাণঘাতি বিষয় তাঁদের সামলাতে হচ্ছে বলে। আমরা যখন দিশেহারা, তাঁরা তখন জীবিকাহারা।–

1 comment

  1. Thanks AoD for this…we need more such reminders –

    “Viruses will always be here. Even after our deaths there will be new viruses. Arguing about whether they are sent by god or natural scientific phenomenon, would not weaken the virus. Would not lessen its potency. Yet, we are captivated by the mass-paranoia. Living this paranoia has become quite a vogue.

    I would dare to challenge thoughts such as ‘poor are careless about the corona virus’, with counter thoughts like ‘the poor are actually hapless against this virus; they are petrified of many other life-ending symptoms’.

    We have lost our direction. They, on the other hand, have lost their entire livelihood.”

    Love and Solidarity from across the border – where we have “apparently chosen lives over livelihoods”…and created a disaster for migrant-workers…

    bhalo thakiben…

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: