Justice Habibur Rahman (1928-2014)

© Monirul Alam
© Monirul Alam

Justice Habibur Rahman (1928-2014)
by Faruk Wasif, translated by Nadine Murshid for AlalODulal.org

Let people judge Justice Habibur Rahman. They have his writings to judge him by. I can only think of the last time I saw him. It was December 23, 2013 at his residence. When he saw me he cried ‘Ki hain’ (What’s up!), as he paced his roof. That’s how he was.

We had a long conversation that evening. He was disillusioned about Bangladesh and her politics. He told me: write and live.

Then he said, pointing to the end of the roof: How many people do you think will fit up here?

Are you planning an event? I asked.

How would it be if my last rites were held here?

You don’t have to think about that, that’s not anytime soon. We will make arrangements at National Idgah for you.

He laughed, you’re full of mischief!

Two weeks before his final departure, the man knew. But he didn’t stop his work. Till the very end he was alive, witty, sharp, and involved.

That evening we talked about an Inuit poem that he wanted to translate. He didn’t know who the original poet was, and I was supposed to help him find out. I couldn’t. Everytime I read the poem I will remember him. And I will always regret that I couldn’t keep his last request.

This is that poem:

And I think over again my small adventures
When with the wind I drifted in my kayak
And thought I was in danger
My fears,
Those small ones that seemed so big
For all the vital things
I had to get and to reach
And yet there is only one great thing
The only thing
To live to see the great day that dawns
And the light that fills the world.

Maybe he translated the poem before he left. Maybe we will find it some day.

His humour, determination, and courage will always remain.

Farewell to one of the greatest men of the century.

মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান কী ছিলেন তা মানুষ বিচার করুক। তাঁর লেখাগুলো তো আছে। আমার কেবল মনে পড়ছে শেষ দেখার স্মৃতি। গত ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওনার বাসায় গেছি। শুনি উনি ছাদে…উঠে গেলাম। ভদ্রলোক দেখি ছাদে হাঁটছেন। আমাকে দেখেই বললেন, কী হে। এভাবেই বলতেন।
সেদিন অনেক কথা হয়েছিল। খুব হতাশ ছিলেন দেশের পরিস্থিতি নিয়ে। আমাকে বললেন, লেখ এবং বেঁচেও থেকো। তারপর ছাদের অন্য প্রান্তের দিকে আঙুল তুলে বললেন, বলো তো হে, আমার এই ছাদে কত লোক আসতে পারবে?
বললাম, কোনো অনুষ্ঠান স্যার?
বললেন, হ্যাঁ, ভাবছি আমার শেষকৃত্যটা এখানে করলে কেমন হয়।
বললাম, সেই হিসাব আপনাকে করতে হবে না। মেলা দেরি আছে। আমরা আপনার জন্য জাতীয় ঈদগাহে ব্যবস্থা করবো।
উনি হেসে ফেলে বললেন, বদমায়েশি শিখেছ বেশ! হা হা হা।
মৃত্যুর আঠারো-ঊনিশ দিন আগে মানুষটা বুঝে গিয়েছিলেন। অথচ কাজ থামাননি একদম। শেষ দম পর্যন্ত উনি দারুণ জীবিত, রসিক, তীক্ষ্ণ এবং সপ্রাণ ছিলেন।

একটা ইনুইট কবিতা নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম। কবিতাটা উনি অনুবাদ করতে চান। কিন্তু মূল লেখকের নাম পাওয়া যাচ্ছিল না। আমার খুঁজে দেবার কথা ছিল। পারিনি। যতবার কবিতাটা পড়বো ওনার কথা মনে আসবে, আর মনে আসবে একটা আক্ষেপ। আমার কাছে ওনার শেষ চাওয়াটা আমি পূরণ করতে পারিনি।

এটা সেই কবিতা
And I think over again my small adventures
When with the wind I drifted in my kayak
And thought I was in danger
My fears,
Those small ones that seemed so big
For all the vital things
I had to get and to reach
And yet there is only one great thing
The only thing
To live to see the great day that dawns
And the light that fills the world.

কবিতাটা হয়তো উনি অনুবাদ করে গেছিলেন। হয়তো একদিন পাব।
ওনার রসবোধ, ওনার নিষ্ঠা, ওনার সাহস আর প্রজ্ঞা এ যুগে বিরল। গত শতক পেরিয়ে আসা শ্রেষ্ঠ একজন মানুষকে বিদায়।

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s