I sing a song of unity

গাহি সাম্যের গান/ I sing a song of Unity
Lyrics by Kazi Nazrul Islam
Photos by Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin


“হিন্দু হিন্দু থাক, মুসলমান মুসলমান থাক, শুধু একবার এই মহাগগনতলের সীমা হারা মুক্তির মাঝে দাঁড়াইয়া মানব তোমার কন্ঠে সেই সৃষ্টিতে আদিমবাণী ফুটাও দেখি। বল দেখি “আমার মানুষ ধর্ম”। মানবতার এই মহান যুগে একবার গন্ডী কাটিয়া বাহির হইয়া আসিয়া বল যে, তুমি ব্রাহ্মন নও, শুদ্র নও, হিন্দু নও, মুসলমানও নও, তুমি মানুষ – তুমি ধ্রুব সত্য।” – কাজী নজরুল ইসলাম

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

গাহি সাম্যের গান-গাহি সাম্যের গান-
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান।
গাহি সাম্যের গান!

কে তুমি?- পার্সী? জৈন? ইহুদী? সাঁওতাল, ভীল, গারো?
কন্‌ফুসিয়াস্‌? চার্বাক চেলা? ব’লে যাও, বলো আরো!
বন্ধু, যা-খুশি হও,
পেটে পিঠে কাঁধে মগজে যা-খুশি পুঁথি ও কেতাব বও,

কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত-বাইবেল-ত্রিপিটক-
জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থসাহেব প’ড়ে যাও, য্ত সখ-
কিন্তু, কেন এ পন্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল?
দোকানে কেন এ দর কষাকষি? -পথে ফুটে তাজা ফুল!

তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্র খুঁজে পাবে সখা, খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার,
তোমার হৃষয় বিশ্ব-দেউল সকল দেবতার।
কেন খুঁজে ফের’ দেবতা ঠাকুর মৃত পুঁথি -কঙ্কালে?
হাসিছেন তিনি অমৃত-হিয়ার নিভৃত অন্তরালে!
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান
যেখানে মিশছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুস্‌লিম-ক্রীশ্চান।

– কাজী নজরুল ইসলাম

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

একটি প্রদীপ

শহরের আকাশে যে তারা এক আঁধারবিন্দু
সংখ্যালঘুর মতো সে লুকোয় গুরুছায়া নিয়ে
এ দেশে সে মুসলিম ও দেশে বৌদ্ধ হিন্দু
খ্রীষ্টান দু’দিকেই ছায়াপথে রয়েছে লুকিয়ে।

জীবনসন্ধে এল, তাকে বলি লুকিয়ে থেকো না
সংখ্যালঘুর মতো সংখ্যাগুরুও চলে যায়
জীবনের ইন্ধন ফুরিয়ে যাবেই একদিন
অমোঘ মৃত্যু আসে, লঘু গুরু বেবাক মেলায়।

নামে কী বা আসে যায়, সংখ্যাগুরুর গুরুবাণী
অথচ ওখানে মরে কাবেরী, এখানে আয়েষা
কার্বনে গড়া দেহ পুড়ে যায় একই আগুনে
তারপরে হয় ভোট, গণতন্ত্রের চেনা ভাষা।

বারবার হবে খুন লঘুরা যে গুরুদের হাতে
বারবার পুড়ে যাবে যে ঘর আগুনে মানুষের
সে ঘরে সকাল হবে আতঙ্করাত চলে গেলে
কিছুটা সবুর করো ফুরোবে আগুন সূর্যের।

সকাল হবে না আর হিলিয়াম শেষ হয়ে গেলে
ধর্ম বা রাজনীতি কোথাও জ্বালবে না আগুন
তার আগে জ্বেলে দাও প্রিয়তমা একটি প্রদীপ
একটু মাটির দেহে একটি শিখার গুনগুন।

– কবির সুমন

http://www.kabirsumanonline.com/home/2014/01/13/ekti-prodeep/

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

© Shahnaz Parvin

3 thoughts on “I sing a song of unity

  1. Watching the post on Facebook link through a friend, I commented “pretty gross”. He insisted, as he does so often, to comment on the blog. I am sorry that I am not a frequent blogger, for obvious reasons though.

    “Pretty gross” is a strong remark, I admit. But the visual representation here concerns me seriously. A Muslim boy in front of a Durga idol–is the most obvious imagery one can think of [while promoting/propagating harmony]. Gross is what you term these in cultural production. My point is not that of ‘arrangement’. Arranged photography is blamed for breaching ‘realism’ and arranged videography/cinematography is exactly what is expected for making a feature film. It’s simplistic and headless. I don’t have any interest in carrying out this academic principle whatsoever.

    The boy with all his simplicity and inquisitiveness has been set to play the ‘Muslim’ role. Why? Does he know the character he plays for, both historically and culturally? Has he ever gone through the route of anger and hatred — if not as an antagonist, at least as a protagonist? Why would he be given a burden?

    I contend, visual production is also about what NOT to represent. Likewise, visual consumption is also about what NOT to read/reveal. The photography, so are the publishers, feed me ‘harmony’. I read unjust ‘juxtaposition’. Unjust to the boy, even if you forget to being unjust to the Hindu population, whom the Durga was meant for, whom all the violence were targeted at.

  2. In all innocence, it never occurred to me that this is an “arranged photograph”. We have fallen further than I imagined so that a little boy could not possibly be looking at Durga or a Puja while he is wearing a tupi and white Kurta pajama.
    If indeed this is contrived, it is a tragic testimony to our times. On the other hand, given that a harmonious plurality does exist in our land (I believe it does), perhaps we need to show it using a different representation rather than a “quick fix”.

  3. Otiter bhoot, as I already have mentioned ‘arranged’ photographs are not an issue to me. I endorse that again. Your frustration further complicated the issue [quote: “We have fallen further than I imagined so that a little boy could not possibly be looking at Durga or a Puja while he is wearing a tupi and white Kurta pajama.”] Unlike a few with exclusive metropolitan experience and cosmopolitan mobility, the entire Bangladeshi population frequently see not only the boys but also the men with tupi and kurta-pajama watching Hindu events. But that does not explain the hatred and violence. It’s the photographer and publishers, and not me, who were mesmerized with the boy staying there and deployed him to stand for ‘harmony’ as it has been constructed in their fantasy. For me, the boy and his activities as mundane as we take a candy from the roadside shop. The problem lies rather in ‘quick fix’ approach or representation.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s