Drawing by Manosh Chowdhury, 2000

How will you conduct social research, then?

Simple Social Studies: How will you conduct social research, then?
Manosh Chowdhury

I should take the responsibility of guiding you in how to become a ‘social researcher’, as I myself had defined it. Otherwise you may lose interest in doing social research, perhaps with the fear of becoming an unsocial. Or maybe you will feel nervous about the challenging task of taking goats to a farming land to prove their inability in plowing, as it turned out to be the way to do empirical research. Or you may feel this research business is useless.

Eventually, you may feel upset about all this that involves a ‘research’. Then, you may wonder how new perceptions will emerge had you not done any research at all. You have the will to be a researcher, but you are not motivated. This is not what we actually want. We want you to continue with ‘researching’. We cannot allow you to continue in this mood for too long. Instead, let us encourage you to do research where goats are not required to prove a point.

Now, for the time being, I am asking you to forget the route of doing again and again; that is what boring inductive research does. Well, I do not mean that those are bad or wrong way of doing research. And then, who am I to say this! Rather, I say this because the institutionalization of this kind of research has reached such a level in the modern world, you can no longer create a feasible way to make the cut to be considered as an ‘accepted’ researcher. At least, you are not able to do so in near future. As a result, you have to use your brain for a hide out; temporarily I mean, like the soldiers do in an ambush. You will do so with sheer training in deductive method research.

Now I am going to sincerely elaborate this ‘ambush’ strategy. How long will you take this underground strategy? Or, to whom will you pose this? And then, why will you do that, or what do you expect in doing such things? These all are very important strategic questions. You may have to remain underground for very long indeed. It may take, say, until you die. And you will have to accept that individual’s mortality is not a big issue. You may need to maintain this until the vulgar yet powerful institutions of the inductive research methods around the globe get somewhat weakened. Further, you will do this definitely in front of the eminent researchers and the advocates of research empires. ‘Why’ is more desperate query to solve. 

The obvious reason for you to take a hideout is the fear of being blown up by these institutions and researchers. Your researcher-identity or your research-perceptions can be blown up, viciously. And this reason should read fair. There are more important reasons though. You will hold your breath, to defend human-research from further damages. It’s like going to an Abahani-Mohammedan football match during the 80s. Let’s say you are a supporter of Mohammedan, but you are sitting among the Abahaniwalas, or vice versa. With the growing tensions, if you disguise yourself as ‘your people’, you will have to maintain it for 90 long minutes. Not an easy task, you know! And it can cause serious emotional damage too. On the contrary, if you put on Arambagh, Farashganj, Pulpara jersey, you would be less likely to be beaten, though you might have been mocked for entire 90 minutes. But that’s cool, comparing to get beaten. Being underground, thus, should be seen as a strategy where one can dilute her ‘researcher’ identity in the midst of hype of research activities. Thus, the hyperactive research people don’t get a chance to beat you. However, in the world of research, actual possibility of beating is not that serious as it may occur in the football sphere.

Besides waiting for your days to come, you will always be able to convey your perception with some trickery. You might miss out a few foreign trips or research-funds like they do, but you can transmit or disseminate your ‘research-findings’ among the acquaintances, or to the outsiders. But you must not appear like a researcher. Once you wear the attire of a researcher, you are just finished! That’s what it is like to hold your breath. It is like covering up. Mimicking a dead-body in the battlefield, while you are actually alive–so that no one fires another shot at you. Yes, I am talking about that very hide-out.

For example, 20 years back, had I been with a researcher-uniform, of a film researcher, or a culture researcher or an aesthetics researcher, I would have ended as a loser. I would not be able to ‘transmit’ my “perception” of so-called vulgarism in cinema to the very few people I actually was able to connect with. “Is this what you call a research – huh?” “You are a block-head researcher!”–those would be the expressions I certainly would have faced. That I was able to carry out my ‘research’ underground and manifest my understanding was only because I maintained that ‘ambush’.
(Translated for AlalODulal, February 1, 2021; published in Bangla on Shamprotik, Dhaka, 22 August 2020)

তাহলে ‘সামাজিক গবেষণা’ আপনি চালাবেন কীভাবে?

আবারও আমার উল্টা রাস্তাখানি আপনাদের সামনে হাজির করতেই হচ্ছে। যেহেতু আমি কারো দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া, সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে জানিয়েছিলাম যে কাকে অধুনা কালে সামাজিক গবেষণা বলা হয়ে থাকে, তাই তার ক্ষয়ক্ষতিটাও আমার নিজের কাঁধে নেয়া উচিত। যে ক্ষতিটি হয়ে থাকতে পারে তা হলো আপনারা হয়তো অসামাজিক হবার ভয়ে আর সামাজিক গবেষণা করতে চাইলেন না। কিংবা হয়তো ছাগল দিয়ে হালচাষের প্রমাণের মতো পেঁচানো গবেষণাতে উৎসাহ বোধ করলেন না; কিংবা নিছকই নিরর্থক বোধ করলেন ইত্যাদি।

এসবে গবেষণা বিষয়ে আপনাদের গুরুতর বিষাদ দেখা দিতে পারে। কিংবা নতুন-নতুন উপলব্ধি কীভাবে গড়ে উঠবে সেই বিষয়ক দুশ্চিন্তা দেখা দিতে পারে। গবেষক হতে চাইবার তাগিদ বোধ করা সত্ত্বেও কিছুতেই আর উদ্যম বোধ না করতে পারার দুর্যোগও দেখা দিতে পারে। আমরা যদি চাই যে আপনি ‘গবেষণা’ জারি রাখুন, তাহলে আপনার এই মনোভাব বা মনোবেদনকে দীর্ঘকাল আমাদের প্রশ্রয় দেয়া ঠিক হবে না। আমাদের উচিত হবে, আপনাকে গবেষণার সেসব উপায়ের দিকে উৎসাহ প্রদান করা যেখানে বাস্তবিকই ওইরকম প্রমাণের জন্য ছাগল আর চাষবাস বিষয়ে সরেজমিন না-নামতে হয়।

তো, বলাই বাহুল্য, আপাতত তাহলে আপনাকে আরোহী তথা ইনডাকটিভ গবেষণার পইপইমূলক সরেজমিন রাস্তা থেকে দূরে সরতে বলছি। এই কারণে বলছি না যে, ওটা মন্দ বা নিন্দনীয় রাস্তা। বরং, এই কারণে বলছি যে, ওটার প্রাতিষ্ঠানিক আত্মীকরণ অধুনা দুনিয়ায় এমন জায়গায় গেছে যে আপনি আর দুচারদিনে ওগুলোকে অবমুক্ত করে একটা কার্যকরী রাস্তা বানাতে পারবেন না। ফলে, আপাতত আপনাকে অবরোহী পদ্ধতির গবেষণায় তালিম নিয়ে ঘাপটি মেরে থাকার বুদ্ধিটিই দিতে হচ্ছে।

এখানে ‘ঘাপটি মারা’র বিষয়টি অতীব গুরুত্বের সঙ্গে আজ আলাপ করব। কতকাল ঘাপটি মারবেন? কার সামনে ঘাপটি মারবেন? কেন মারবেন বা এই ঘাপটি মারা থেকে আপনি কী হাসিল করতে চান? এগুলো কিন্তু অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ সব প্রশ্ন। আপনার দীর্ঘকাল ঘাপটি মারা লাগতে পারে। আপনার এক জীবন শেষ হয়ে গেল তাতে, সেটাও মেনে নিতে হবে। যতক্ষণ না তামাম বিশ্বে আরোহী পদ্ধতির স্থূল তথাপি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা কমজোর হয় ততক্ষণ পর্যন্ত ঘাপটি মারা লাগতে পারে। যাঁদের সামনে ঘাপটি মারবেন তাঁরা অবশ্যই প্রথিতযশ গবেষক এবং গবেষণা-প্রতিষ্ঠানের তল্পিবাহী। কেন মারবেন সেটাই বরং আরো মনোযোগের দাবিদার আলাপ।

আপনার গবেষক-পরিচয় কিংবা গবেষণা-উপলব্ধি ফুঁ দিয়ে সেসব প্রতিষ্ঠান ও গবেষক উড়িয়ে দেবেন সেই আশঙ্কায় সন্ত্রস্ত হয়ে অবশ্যই আপনি ঘাপটি মারতে পারেন। সেই কারণ অতিশয় ন্যায্য বটে। কিন্তু এর থেকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। আপনি দম ধরে রাখার জন্য, আরও ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে মনুষ্য-গবেষণাকে রক্ষা করার জন্য এই ঘাপটি মারার কাজটি করবেন। ধরা যাক, আপনি ৮০’র দশকে আবাহনী মোহামেডান খেলা দেখতে গেছেন। আপনি মোহামেডানের সমর্থক, কিন্তু দৈবাৎ বসে পড়েছেন আবাহনীওয়ালাদের মধ্যে, কিংবা বিপরীতটা। তখন উত্তেজনা-প্রবাহের যে মানচিত্র সেখানে আপনি ‘তোমাদের লোক’ সাজলে তো ৯০ মিনিট ধরেই সাজতে হবে। সহজ নয়, এবং তাতে আপনার গুরুতর মানসিক ক্ষতিও হয়। বরং, আপনি যদি একটা আরামবাগ, ফরাশগঞ্জ, পুলপাড়া জার্সি সঙ্গে রাখতেন, টুপুস করে সেটা পড়ে ফেলতেন, তাহলে আপনি ৯০ মিনিট তামাশার শিকার হলেও প্রহারের শিকার হবার সম্ভাবনা আপনার কমে যেতো। ঘাপটি মারাকে তাই দেখতে হবে এমন একটা কৌশল হিসাবে যেখানে হৈহৈরৈরৈ গবেষণা-কর্মকাণ্ডের মধ্যে নিজের ‘গবেষক’ পরিচয়কে নিজেই লঘু করতে করতে বিলীন করে দেয়া যায়। যাতে করে, হৈহৈওয়ালারা আপনাকে পিটানোর সুযোগ না পান। অবশ্য গবেষণা-বিদ্যা জগতে সাবেক ফুটবল জগতের মতো একই প্রকারের পিটানি দেবার সম্ভাবনা বরাবরই কম থেকে আছে।

কখনো আপনার গবেষণা পদ্ধতির দিন আসবে এই আশায় অপেক্ষা ছাড়াও, আপনি চামেচিকনে আপনার উপলব্ধি সবসময়েই প্রকাশিত করতে পারবেন। তাতে আপনার পুরস্কার বা বিদেশভ্রমণ, বা ফান্ডিং না জুটলেও, অতি ধীর গতিতে হলেও, ‘গবেষণা-ফলাফল’ ট্রান্সমিট/সঞ্চালন করতে পারবেন পরিচিত-অপরিচিতদের মাঝে। কিন্তু অবশ্যই আপনার অগবেষকের মতো থাকতে হবে। গবেষকের ইউনিফর্ম পড়লেই মরেছেন। ওই যে দম ধরে রাখার মতো। দম ধরা প্রায় ভং ধরাই। যুদ্ধ ক্ষেত্রে বেঁচে থেকেও মৃতের মতো পড়ে থাকা যাতে আরেকটা গুলি ফুটুশ করে না দেন কেউ – হ্যাঁ জনাব, ঘাপটি-মারার কথাই হচ্ছে। ধরা যাক, ২০ বছর আগে আমি যদি চলচ্চিত্র গবেষক, সংস্কৃতি গবেষক কিংবা নন্দন গবেষকের উর্দি পড়ে মাঠে নামতাম তাহলে তথাকথিত অশ্লীলতা নিয়ে আমার “উপলব্ধি” যে দুচারজনের কাছে ‘ট্রান্সমিট’ করতে পেরেছি, তার কিছুই পারতাম না। “ওইডারে গবেষণা কয়?” “তুমি গবেষণার বুঝো অমুকটা” ইত্যাদি সব অভিব্যক্তির চোটে ভাবনাটা/উপলব্ধিটাই আর বলা সম্ভব হতো না। ফলে, ঘাপটি মেরে আমার ‘গবেষণা’ চালিয়েই বরং আমি ওই উপলব্ধিও হাজির করতে পেরেছিলাম।

আদাবর।। ২২ আগস্ট ২০২০

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s