Timothy Khyang: What about my right to celebrate Christmas?

Christmas Festival at Dhaka's Bottomely School Ground, Dec 17 - 18, 2009. Photo credit: Amio James Ascension. Source: Flickr.
Christmas Festival at Dhaka’s Bottomely School Ground, Dec 17 – 18, 2009. Photo credit: Amio James Ascension. Source: Flickr.

Timothy Khyang: What about my right to celebrate Christmas?

Translated by Trimita Chakma for AlalODual.org

Three years ago from today in 2010, the 47th batch of MBA was sitting for the final exams at UITS’s (University of Information Technology and Sciences) campus in Chittagong. Out of the 45 students two of us were Christians, Alex Leo Kraolie and I. The exam schedule was published one week before the exams and I noticed that there was an exam on 25th December, on Christmas Day.

As one would expect, Alex and I went up to the teacher and explained to him about our festival and requested him to either consider for us to sit for the exams on a different date or reschedule the exam. Neither the teacher nor the university administration responded to our appeal that day. Their logic was that 43 students should not ‘suffer’ for the convenience of two students. At the time when we were supposed to have been celebrating Christmas with our friends and families, we were sitting in the exam hall. I was wondering whether there would ever be any exams scheduled on the day of Eid or Durga Puja. Do Christian-dominated countries schedule their exams on Eid day? I felt empathy for those Muslim brothers and sisters who could not celebrate Eid due to having exams on the day.

That day I learnt that it was a common practice to impose the decisions of the majority on the minority. Democracy is such a system where the democratic voices of the minority are often silences due to their small numbers. Democracy favours the heavier side of the scale and ignores the lighter side. Perhaps that is why the hilly Khyang communities are slowly but unwillingly losing their cultural traditions. This is only due to the small size of the population. The so called kindness or humanity or human rights of the people plays a petty role in sustaining the minority cultures.

The British ingeniously changed our religion in the past, but what we are witnessing is a forced change of our ethnic identity in the twentieth century. Although the British have been long gone from this land, we continue to carry on their religion – the roots of which are so deeply entrenched within us, that if we pull it we will probably find out we have already lost our original identity, only the outer shell remained. Perhaps the traditional practices we know to be our own today, in fact has been borrowed from another culture.

The tiger has the right to hunt the deer for its food supply. If we talk about the deer’s right to live, the tiger’s right to hunt is disturbed. Perhaps the term “human rights” applies in the same sense. Because in practice the rights are not the same for the rich – poor, majority – minority, Jummas – Bengalis, civil society – evil society, women – men, powerful – powerless etc. groups of people.

The human rights of the privileged and the disadvantaged are not equal and will not be. Whatever we say or write down regarding this matter, in reality we lack the commitment to understand the states and narratives of being different…. I hope no student will have to sit for exams on the day of their religious festival.

—–

আজ হতে তিন বছর আগে, ২০১০ সালে ৪৭ ব্যাচ এর এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষা চলছিলো ইউআইটিএস এর চট্টগ্রাম ক্যাম্পাস এ । প্রায় ৪৫ জন ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে খ্রিষ্টান ছিলাম ২ জন , আমি আর আলেক্স লিও ক্রাওলি । এক সপ্তাহ আগে থেকেই পরীক্ষার সূচী দেওয়া হয়েছিলো এবং দেখলাম ২৫শে ডিসেম্বর , বড়দিন পরীক্ষার তারিখ দিয়েছে । স্বাভাবিক ভাবেই আমি আর আলেক্স দেখা করেছিলাম সেই স্যার এর সাথে , বলেছিলাম আমাদের উৎসবের কথা যাতে আমরা ২ জন পরে পরীক্ষা দিতে পারি অথবা যদি সম্ভব হয় তারিখ আগে বা পরে পিছানো যায় কিনা । সেদিন স্যার বা কর্তৃপক্ষ কেউই আমাদের আবেদন নিবেদনে সারা দেননি । তাদের যুক্তি ছিল ২ জনের জন্য ৪৩ জন কে কষ্ট দেওয়া ঠিক হবেনা , যে সময়ে আমাদের আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব নিয়ে আনন্দ উৎসবে থাকার কথা সে সময়ে আমরা হল রুম এ বসে পরীক্ষা দিচ্ছিলাম । পরীক্ষার হলে আমি মনে মনে বলছিলাম আজকে যদি ঈদ/দুর্গাপূজা হত তাহলে কি পরীক্ষা হত ? খ্রিষ্টান রাষ্ট্রগুলোতে ও কি ঈদের দিন পরীক্ষা নেয় ? অনুভব করছিলাম সেই সব মুসলিম ভাইবোনদের মানসিক কষ্ট যাদের ঈদের দিনও পরীক্ষা দিতে হয়…

সেদিন জেনেছিলাম , সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত কিভাবে সংখ্যালঘুদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় । গনতন্ত্র আসলে এমন এক পক্রিয়া যেখানে মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকারের কণ্ঠকে স্তব্ধ করে দেওয়া হয় সংখ্যালঘু বা সংখ্যা কম হওয়ার কারনে । পাল্লার যে দিকটা ভারী সেদিকেই ঝুঁকে গণতন্ত্র ,অপেক্ষাকৃত হাল্কা দিকটাকে উপেক্ষা করে । এ কারনেই হয়ত, অনিচ্ছাসত্তেও পাহাড়ি খিয়াং জনগোষ্ঠী হয়ে যায়……। এটা আসলে ঘটে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সংখ্যার জন্য ,তথাকথিত সদিচ্ছা বা মানবিকতা বা মানবাধিকার যেখানে গৌণ ভুমিকা রাখে ।
ব্রিটিশরা সুকৌশলে ধর্ম বদলে দিয়েছিল আর জোর করে জাতিসত্তার পরিচয় বদলে দিতে দেখলাম এই বিংশ শতাব্দীতে এসে । ব্রিটিশরা চলে গেছে অনেক আগে কিন্তু তাদের দেওয়া ধর্ম আজও বহন করে চলছি । যার শেকড় এত গভীরে প্রোথিত যে ধরে যদি টান দিই দেখা যাবে নিজের অস্তিত্ব অনেক আগেই হারিয়ে গেছে , শুধু খোলসটা রয়ে গেছে । নিজের বলে যা জানি , যে অহংকার তার ভিত্তি হয়ত কারও কাছ থেকে ধার নেওয়া ।

বেচে থাকার জন্য বাঘ হরিণ (খাদ্য) শিকার করে যা তার জন্মগত অধিকার , হরিণের বেচে থাকার জন্মগত অধিকার বাস্তবায়িত হলে বাঘের অধিকার লঙ্ঘিত হয় । হয়ত মানবাধিকার শব্দটিও একই অর্থ বহন করে কারণ ধনী-গরীব , সংখ্যাগরিষ্ঠ-সংখ্যালঘু , পাহাড়ি-বাঙ্গালী , Civil society-Evil society , নারী-পুরুষ , ক্ষমতাবান – ক্ষমতাহীন ইত্যাদি ইত্যাদি শ্রেণীতে বিভক্ত মানুষের , সমাজের মানবাধিকার একই নয় । সুবিধাভোগী আর সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার এবং মানবাধিকার এক নয় , হতে পারেনা । মুখে যাই বলি আর কলমে যা কিছুই লিখিনা কেন বাস্তবে স্বাতন্ত্রের অবস্থা এবং নিবেদন বোঝার মত সদিচ্ছা ও মানসিকতার যথেষ্ট অভাব আজও রয়ে গেছে । কামনা করছি……ধর্মীয় উৎসবের দিনগুলোতে আর কোন ছাত্রছাত্রীকে যেন পরীক্ষা দিতে না হয়… ।

One comment

  1. I thought Christmas Day was a holiday in Bangladesh. I am also really shocked at the behaviour if the teachers concerned. Bangladesh as far as I know has officially recognised and catered for the needs of minority religions although unofficially there are lots brutality against minorities. Although in England where I live there us no holiday for Eid or Diwali most Muslim and Hindu kids didn’t turn and the schools unofficially accept that reality.

    I wish there can be a way of restoring balance to cultural and spiritual life of the indigenous where they can happily combine their Christian / Buddhist / Hindu religious identity with ethnic cultures and Bangladeshi nationality.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s